Bangladesh latest: বাংলাদেশ নিয়ে চিন-ইউএস দড়ি টানাটানি? বেজিংকে ব্যাকফুটে রাখতে কোন ছকে আমেরিকা!

এবার বাংলাদেশকে নিয়ে কোন বার্তা দিলেন সেদেশে অবস্থিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত?

Published on: Feb 11, 2026 4:41 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাত পার হলেই বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ ভোট। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এই প্রথম ভোট হতে চলেছে বাংলাদেশে। আওয়ামি-হীন এই ভোট ঘিরে গোটা বিশ্বের কূটনৈতিক মহলের নজর রয়েছে। এরই মাঝে সদ্য আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে এক নয়া বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের ওপর মার্কিন শুল্ক খাঁড়াকে কমিয়ে দিয়েছে। ভারতের জন্যও বাণিজ্যের নিরিখে বেশ কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এরপর খবর হল, আমেরিকা বাংলাদেশকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে চাইছে। যার প্রধান লক্ষ্য হল ঢাকার ওপর বেজিংয়ের প্রভাব কমানো!

বাংলাদেশ নিয়ে চিন-US দড়ি টানাটানি? বেজিংকে ব্যাকফুটে রাখতে কোন ছকে আমেরিকা! (AFP)
বাংলাদেশ নিয়ে চিন-US দড়ি টানাটানি? বেজিংকে ব্যাকফুটে রাখতে কোন ছকে আমেরিকা! (AFP)

বাংলাদেশে নব নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। চিনের সাথে নির্দিষ্ট কিছু চুক্তির ঝুঁকিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ এই বার্তা দিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। এদিকে, সম্প্রতি চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে। যে চুক্তির মধ্যে রয়েছে, ভারত সীমান্তের কাছে বাংলাদেশ ড্রোন ফ্যাক্টরি করবে। এরই মাঝে, পাকিস্তান তার জেএফ১৭ যুদ্ধবিমান বাংলাদেশকে বিক্রির জন্য মুখিয়ে রয়েছে। এই যুদ্ধবিমান চিনের সঙ্গে পাকিস্তান যৌথভাবে তৈরি করছে। সেই জায়গা থেকে এই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও কাছে পৌঁছতে চাইছে আমেরিকা।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ৫ অগস্ট বাংলাদেশে ছাত্র জনতা অভ্যুত্থানের হাত ধরে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। তিনি আশ্রয় নেন ভারতে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বাংলাদেশের। এরই মাঝে ঢাকার ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টায় লেগে পড়ে চিন। সেই জায়গা থেকে আমেরিকার নজরে ঢাকা। রাত পার হলেই বাংলাদেশে ভোট। এরপর সেদেশে নতুন সরকার আসার কথা। সেই সরকারের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে আমেরিকা, বাংলাদেশকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে চায়। এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মর্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসন বলেন,'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে তার সামরিক সক্ষমতার চাহিদা পূরণে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মিত্র দেশগুলোর সরঞ্জাম রয়েছে, যা চিনা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।'