উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে মধ্যরাতে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও আতঙ্ক ছড়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে। এই নিয়ে সাম্প্রতিককালে একাধিকবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লেগেছে। এই অগ্নিকাণ্ডগুলির নেপথ্যে কোনও নাশকতার ছক রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন ধরে গতকাল রাতে। এর জেরে ৪০০-রও বেশি ঘর পুড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে মধ্যরাতে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও আতঙ্ক ছড়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে। এই নিয়ে সাম্প্রতিককালে একাধিকবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লেগেছে। এই অগ্নিকাণ্ডগুলির নেপথ্যে কোনও নাশকতার ছক রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এদিকে সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে গিয়েছিলেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে মধ্যরাতে।
জানা যায়, ১৯ জানুয়ারি উখিয়ার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন ধরে মধ্যরাতের আশেপাশে। স্থানীয় সময় ভোররাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন লেগেছিল। এরপর দমকলের ১০টি ইঞ্জিন প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তখনও বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বলছিল। শেষ পর্যন্ত সকাল ৭টা ৩০ মিনিট নাগাদ কুলিং অফ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কীভাবে আগুন লাগল, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে সরকার এই ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে ১ লক্ষ রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায়।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি উখিয়ার ৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ঘুরে গিয়েছিলেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপরে ১৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্প থেকে ৭০৫ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালির দ্বীপ ভাসানচরে পাঠানো হয়। এর আগে, ১৭ ডিসেম্বর ৫৫০ জন রোহিঙ্গা উখিয়া ত্যাগ করার পর ১৮ তারিখ ভাসানচর পৌঁছান।
এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতালে আগুন লেগেছিল। এতে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছিল। তারও আগে ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আগুন লেগেছিল। সেই অগ্নিকাণ্ডে ১০টিরও বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিঞ্জি। এই কারণে রোহিঙ্গ ক্যাম্পে আগুন ধরলে একসঙ্গে বহু বাড়ি পুড়ে যায়।