Bangladesh US Ties: জন্ম দিল্লিতে, ভোটের পর বাংলাদেশে এই ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে পাঠাচ্ছে US, লক্ষ্য কী?

কবে বাংলাদেশে আসছেন এই তাবড় মার্কিনি সচিব?

Published on: Feb 10, 2026 11:37 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আর মাত্র মাঝে একদিন। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ ভোটপর্ব। শেখ হাসিনার অভ্যুত্থানের পর এই প্রথমবার ভোটে অংশ নিতে চলেছে ভারতের পড়শি রাষ্ট্র। ভোটে নেই শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।ওপার বাংলায় একাধিক সমীক্ষা বলছে, অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। এমন এক হাইভোল্টেজ ভোটের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। এদিকে, জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে ভোট পর্ব মিটলেই আমেরিকা তার ‘সেক্রেটারি অফ স্টেটস ফর সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স’ এস পল কাপুরকে পাঠাতে চলেছে বাংলাদেশে।

জন্ম দিল্লিতে, ভোটের পর বাংলাদেশে এই ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে পাঠাচ্ছে US,
জন্ম দিল্লিতে, ভোটের পর বাংলাদেশে এই ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে পাঠাচ্ছে US,

সদ্য বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয় ইউনুস সরকারের আমলে। এই চুক্তির ফলে, বাংলাদেশের ওপর থেকে আমেরিকার ২০ শতাংশের শুল্ক খাঁড়া সরে গিয়ে তা ১৯ শতাংশের শুল্কে দাঁড়িয়েছে। এমন এক সময়ই বাংলাদেশে এস পল কাপুরের আসার খবর উঠে এল। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে.' ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গত রোববার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে আলোচনায় পল কাপুরের পরিকল্পিত সফরের প্রসঙ্গটি তোলেন। আগামী ৬ থেকে ৯ মার্চ ঢাকায় আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পল কাপুর।' রিপোর্ট দাবি করছে, ঢাকা-ওয়াশিংটন অংশীদারত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য়েই কাপুরের এই সফর। এর আগে, মার্কিন সেনেটে বিদেশ বিষয়ক কমিটির শুনানিতে পল কাপুর, ভারত ও বাংলাদেশ নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। চিনের প্রভাব মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে মার্কিন সহযোগিতা বাড়িয়ে তোলার বিষয়গুলিও।

কে এই এস পল কপুর?

এস পল কাপুরের জন্ম দিল্লিতে। তাঁর বাবা ভারতীয়, মা আমেরিকান। আমহার্স্ট কলেজ থেকে তিনি স্নাতক হন, তাঁর পিএইচডি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি একজন বিদগ্ধ ও অধ্যাপক হিসাবেও পরিচিত। বর্তমানে তিনি মার্কিন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্কুলের অধ্যাপক। তিনি স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ভিজিটিং প্রফেসর' হিসাবেও নিযুক্ত রয়েছেন। ২০২৫ সালে, দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন তাঁকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বিদেশ সচিব হিসেবে মনোনীত করে, ডোনাল্ড লু-এর স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।