Putin snubs Pak PM: পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে ৪০ মিনিট বসে পাক প্রধানমন্ত্রী! এলেনই না মোদীর 'বন্ধু'
ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে। কিন্তু এলেন না নরেন্দ্র মোদীর 'বন্ধু'।
বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য কুখ্যাত দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ শুক্রবার চরম অপমানের মুখে পড়লেন। আসলে তুর্কমেনিস্তানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। যেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পৌঁছে গেলেও পুতিন আসেননি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের ‘বন্ধু’ পুতিনের অপেক্ষায় ৪০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। বিশ্বে মুখ পোড়াতে অভ্যস্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যা করেন, তা আরও অপমানজনক বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

সংবাদমাধ্যম রাশিয়ান টুডের তরফে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে পুতিনের জন্য শরিফ দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছেন। কিন্তু পুতিন আসেননি। শরিফ পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে কক্ষে ছিলেন। এরপর শরিফ হঠাৎ উঠে পুতিন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তাইয়েপ এরদোগানের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রবেশ করেন। তবে সেখানেও লাভ হয়নি শরিফের। ১০ মিনিট পরেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে চলে যান বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
আর সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। দিনকয়েক আগে যেখানে ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন পুতিন, একই গাড়িতে বসেছেন, হাসিমুখ আলিঙ্গন করেছেন, সেখানে শেহবাজের কপালে ‘অপমান’ জোটায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনদের একাংশ। তেমনই একজন বলেন, 'পুতিন এরকম লোকেদের জন্য তাঁর সময় নষ্ট করতে চান না।' অপর এক ব্যবহারকারী বলেন, ‘এটা আন্তর্জাতিক অপমানে পরিণত হয়েছে।’ একইসুরে এক নেটিজেন বলেন, ‘৪০ মিনিট ধরে পুতিনের দরজায় কড়া নাড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন শেহবাজ শরিফরা। তাও প্রবেশ পাননি, যেমন কোনও আত্মীয় আমন্ত্রণ ছাড়াই বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন।’
আর ২৭ ঘণ্টার ভারত সফরে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন পুতিন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন জানান, রাশিয়া ক্রমাগত ভারতকে তেল সরবরাহ করে যাবে। মোদী বলেন,'আমরা ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সঙ্গে দ্রুত এফটিএ চুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। ভারত ও রাশিয়া ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছে।' পুতিন জানান, দুই পক্ষ নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার দিকে নজর দিচ্ছি। পুতিন বলেন, রাশিয়া নয়াদিল্লির সাথে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের দিকেও নজর দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, সার থেকে খাদ্য নিরাপত্তা, মেডিক্যাল সায়ান্স, কনজিউমার প্রোটেকশন সহ একাধিক বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে।












