Pakistan Army Chief vs PM: পাক সেনার পুতুল হতে চান না শরিফ? মুনিরকে দায়িত্ব না দিতেই পালিয়ে গেলেন বিদেশে?

পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব নিয়ে গভীর সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রথম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান (সিডিএফ) হিসেবে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর এড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের বাইরে চলে গিয়েছেন।

Published on: Dec 02, 2025 10:55 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব নিয়ে গভীর সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রথম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান (সিডিএফ) হিসেবে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর এড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের বাইরে চলে গিয়েছেন বলে একটি মহলে কানাঘুষো শোনা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোর্ডের (এনএসএবি) প্রাক্তন সদস্য তিলক দেবেশর এএনআইকে বলেছেন যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাহারিন এবং লন্ডন সফরে চলে গিয়েছেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স)
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স)

অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পাকিস্তান

তিনি বলেন, ‘খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাহরিনে গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকে সোজা লন্ডনে চলে গিয়েছেন। স্পষ্টতই তিনি এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করতে চান না, যার ফলে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হিসেবে আসিম মুনিরকে পাঁচ বছরের মেয়াদ দেওয়া হবে এবং সিডিএফ হিসাবে নিয়োগ করা হবে। সাংবিধানিক ও অপারেশনাল ক্রাইসিস নোটিফিকেশন জারি না করায় পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের জন্য অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

দেবেশর বলেন, যদি ধরে নেওয়া হয় যে আসিম মুনিরের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তবে পাকিস্তানে এই মুহূর্তে কোনও সেনাপ্রধান নেই। শুধু তাই নয়, নিউক্লিয়ার কমান্ড অথরিটি, যাকে নতুন 'স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড'-এর অধীনে রাখার কথা ছিল, সেটিও ঝুলে রয়েছে। পাকিস্তানের জন্য এটি খুবই অদ্ভুত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি। পাকিস্তানের সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী, সেনাপ্রধানের মেয়াদ সিডিএফের মেয়াদের সমান অর্থাৎ পাঁচ বছরের সমান বলে মনে করা হয়।

‘ডিমিং ধারা’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে

উল্লেখ্য, নতুন বিজ্ঞপ্তির প্রয়োজন আছে কিনা, তা নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন যে ২০০৪ সালের পাকিস্তানি সেনা সংশোধনী আইনের কারণে বিষয়টির সমাধান হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন জানিয়েছে যে সংশোধনীতে একটি ‘ডিমিং ধারা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে - অর্থাৎ এমন একটি বিধান যা আগে থেকেই কার্যকর ছিল বলে মনে করা হয়। এমতাবস্থায় আপনা-আপনিই থেকেই মুনিরের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করা যেতে পারে।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞ?

বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ‘কেউ-কেউ বিশ্বাস করেন যে ২০০৪ সালের সংশোধনী অনুসারে, সেনাপ্রধানের মেয়াদ পাঁচ বছর। আসিম মুনিরের সবেমাত্র তিন বছর পূর্ণ হয়েছে, তাই তাঁর মেয়াদ বাকি আছে দু'বছর। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে বিজ্ঞপ্তির প্রয়োজন হবে না। তবে এটি একটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয় এবং আদালত ও সরকার এটিকে কীভাবে দেখে, তা এখনও দেখার বিষয়। সামরিক মহলে ক্ষমতার লড়াইয়ের লক্ষণ তিনি আরও দাবি করেছিলেন যে সেনাবাহিনীর মধ্যে অবস্থান নিয়ে এখন একটি আলোড়ন রয়েছে।’

News/News/Pakistan Army Chief Vs PM: পাক সেনার পুতুল হতে চান না শরিফ? মুনিরকে দায়িত্ব না দিতেই পালিয়ে গেলেন বিদেশে?