SC CJI on SIR Case: 'আপনার বাবা-মা কে, সেটা নিয়ে কি আমরা সিদ্ধান্ত নেব?' এসআইআর আবেদন নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, 'আপনি কি চাইছেন যে আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে আপনার বাবা, মা এবং ইত্যাদি কে। সংবিধানের ৩২এ-র অধীনে এই পিটিশনটি একটি উপহাস।'
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ফের মামলা সুপ্রিম কোর্টে। এসআইআর-এর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এই মামলায়। তবে এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি। বার অ্যান্ড বেঞ্চ সূত্রে জানা গেছে, মহাম্মদ জিমফরহাদ নওয়াজ এই আবেদন দায়ের করেছিলেন শীর্ষ আদালতে। তিনি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করেন এই মামলায়। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, 'আপনি কি চাইছেন যে আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে আপনার বাবা, মা এবং ইত্যাদি কে। সংবিধানের ৩২এ-র অধীনে এই পিটিশনটি একটি উপহাস।'
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। (PTI)
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও ৬ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে। এরই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখের মতো ভোটার নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে। এই আবহে প্রায় ৭৫ লাখের কাছাকাছি নাম শেষ পর্যন্ত বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে।
তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে কেন ১০ লাখের মতো ভোটারের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানিতে অনেকেই কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির একটি জমা দিতে পারেননি। নথি না দিতে পারা ভোটারদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে। এদিকে কী কারণে নাম বাদ গেল তা নোটিস দিয়ে ভোটারদের জানানো হবে। নাম বাদ পড়া ভোটাররা এরপর কী করতে পারেন? রিপোর্ট অনুযায়ী, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করতে পারবেন ভোটাররা। এরপরও যদি তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত না হয়, তাহলে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দফতরে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ভোটার। আপাতত স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলবে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে এসআইআর নিয়ে ইআরও-দের বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ। আবজার্ভাদের সতর্কবার্তা নাকি শুনছেন না ইআরও-রা। অভিযোগ উঠেছে, বহুক্ষেত্রে শুধু আধার বা প্যান কার্ড নিয়ে ভোটারের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করছেন ইআরও-রা। যা নিয়ে মাইক্রো অবজার্ভাররা সতর্ক করলেও তা কানে তুলছেন না ইআরও-রা। এই আবহে অভিযুক্ত ইআরও-দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে নির্বাচন কমিশন।
News/News/SC CJI On SIR Case: 'আপনার বাবা-মা কে, সেটা নিয়ে কি আমরা সিদ্ধান্ত নেব?' এসআইআর আবেদন নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট