Suspected Terrorist: ছিল অযোধ্যা নিয়ে নাশকতার ছকের অভিযোগ! BJP গড়ে জেলে মৃত্যু জঙ্গি সন্দেহে ধৃতের
ফরিদাবাদ জেলের ভিতর ঘটল চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
ফরিদাবাদের নিমলা জেলের ভিতরে এক জঙ্গি সন্দেহে ধৃতের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০ বছর বয়সী আবদুল রহমানের বিরুদ্ধে অযোধ্যায় নাশকতার ছক করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেলে থাকা অবস্থায় আবদুলের ওপর অপর এক বন্দি চড়াও হতেই দুইজনের মধ্যে সংঘাত হয়। তাতেই আবদুলের মৃত্যু হয়। ঘটনায় একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে ফরিদাবাদ পুলিশ।

বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় ফরিদাবাদের নিমলা জেলে আবদুল রহমানের সঙ্গে একই জায়গায় বন্দি ছিল অরুণ চৌধুরী। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সদ্য বন্দি অরুণকে নিমলা জেলে আনা হয়েছিল বলে খবর। জানা গিয়েছে, অরুণের বিরুদ্ধে এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেলে ৩ নম্বর ব্যারাকের কাছে অবস্থিত সিকিউরিটি ওয়ার্ড ৩বি-এর চাক্কি নম্বর ২-এ ভোর ২.০০ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তীব্র ঝগড়ার সময় চৌধুরী ধারালো অস্ত্র দিয়ে রহমানকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ রয়েছে, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় রহমানের। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তৃতীয় বন্দি সোয়েব রিয়াজ উপস্থিত ছিল সেখানে, কিন্তু অভিযুক্তরা তাকে ভয় দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়, ফলে সে কোনও পদক্ষেপ করেনি।
ফরিদাবাদ পুলিশের মুখপাত্র যশপাল যাদব জানিয়েছেন, ফরিদাবাদ জেলা কারাগার প্রশাসনের চিঠির ভিত্তিতে সদর বল্লভগড় থানায় অরুণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন,'চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জম্মু ও অমৃতসর জুড়ে আটটি মামলায় খুন এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তাকে কাঠুয়া থেকে নিমকায় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।' এদিকে, আবদুল উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদের মিলকিপুরের বাসিন্দা। সে ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে হেফাজতে ছিল। গুজরাট সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড এবং হরিয়ানা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এর যৌথ অভিযানে ফরিদাবাদের কাছে পালি গ্রাম থেকে তাকে ওই বছরের মার্চ মাসে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় পুলিশ দুটি হাতবোমা এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ফরিদাবাদের ডাবুয়া থানায় রহমানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। সূত্র জানায়, হরিয়ানা এসটিএফ তথ্য পেয়েছিল যে একটি স্লিপার সেল রহমানকে সম্ভবত সাহায্য করছে। আর তারাই রহমানকে হ্যান্ড গ্রেনেড সরবরাহ করতে থাকে।
E-Paper











