Trump on Diego Garcia: ভারত মহাসাগরের এক দ্বীপে নজর পড়েছে ট্রাম্পের! UKর ‘বোকামি’, কেন বললেন হঠাৎ?

ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন,' আশ্চর্যজনকভাবে, আমাদের 'উজ্জ্বল' ন্যাটো সঙ্গী, যুক্তরাজ্য (ইউকে), বর্তমানে মরিশাসকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটির স্থান, দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং কোনও কারণ ছাড়াই তা করার পরিকল্পনা করছে।'

Published on: Jan 20, 2026 5:11 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভেনেজুয়ালর পর ইরানকে ঘিরে আসে তাঁর হুঁশিয়ারি, অরপর গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে মন্তব্যে পারদ চড়িয়ে দেন, এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নজরে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত এক দ্বীপ। এই দ্বীপ হল, দিয়েগো গার্সিয়া। দিয়েগো গার্সিয়ার মতো বহু দ্বীপ নিয়ে তৈরি হয়েছে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট এক প্রবাল দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়া। আর এই দ্বীপে নজর গিয়েছে ট্রাম্পের। দ্বীপটি নিয়ে এবার ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন ঝড়!

ভারত মহাসাগরের এক দ্বীপে নজর পড়েছে ট্রাম্পের! UKর ‘বোকামি’, কেন বললেন হঠাৎ? (AP Photo/Julia Demaree Nikhinson) (AP)
ভারত মহাসাগরের এক দ্বীপে নজর পড়েছে ট্রাম্পের! UKর ‘বোকামি’, কেন বললেন হঠাৎ? (AP Photo/Julia Demaree Nikhinson) (AP)

দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপকে মরিশাসের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সদ্য নিয়েছে ইউকে। চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টারমার সরকার। বহুদিন ধরেই এই দ্বীপে উদিত হয়েছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য। এরপর সদ্য এক চুক্তি অনুযায়ী এই দ্বীপটি কিয়ের স্টারমারের ইউকে, মরিশাসকে তুলে দেওয়ার চুক্তিতে হাত মেলায়। এতেই বেজায় চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই দ্বীপে আমেরিকা ও ইউকে-র সেনা ঘাঁটি রয়েছে। যা এই ভারত মহাসাগরের এলাকায় স্ট্র্যাটেজিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যবাহী। বিশেষত যেখানের জলপথে চিন তার দাদাগিরি বহুকাল ধরেই অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেছে। এমন এক দ্বীপ মরিশাসের হাতে ইউকে-র তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন,' আশ্চর্যজনকভাবে, আমাদের 'উজ্জ্বল' ন্যাটো সঙ্গী, যুক্তরাজ্য (ইউকে), বর্তমানে মরিশাসকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটির স্থান, দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং কোনও কারণ ছাড়াই তা করার পরিকল্পনা করছে।' তিনি বলছেন,'কোন সন্দেহ নেই যে চিন এবং রাশিয়া এই সম্পূর্ণ (এই) দুর্বলতার কাজটি লক্ষ্য করেছে।' এরই সঙ্গে ইউকে-কে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন,' যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (এই) এলাকা দান করা একটি চরম বোকামি, এবং গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার অনেক দীর্ঘ কারণের মধ্যে এটি আরেকটি। ডেনমার্ক এবং তার ইউরোপিয় বন্ধুদের সঠিক কাজটি করতে হবে।'

ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টটি তার আগের অবস্থান থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে, যখন তিনি ব্রিটেন এবং মরিশাসের মধ্যে চুক্তিকে অনুমোদন করেছিলেন। তবে সদ্য গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ ঘিরে আসা পর্বের পর ইউরোপের বহু দেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের উষ্ণতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এদিকে, এই চুক্তির অধীনে, ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে চাগোস দ্বীপপুঞ্জকে তার পূর্বের উপনিবেশে ফিরিয়ে দেবে এবং একই সাথে দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়ার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিটি ইজারা দেবে। সেই চুক্তি নিয়ে হঠাৎই এখন তাঁর পোস্টে ক্ষোভ জাহির করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।