Trump's Threat to Iran: 'ইরানের দিনটা ভালো কাটবে না', পশ্চিম এশিয়ায় আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে হুমকি ট্রাম্পের

ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'যদি চুক্তি না হয়, তাহলে ইরানের জন্য দিনটা ভালো যাবে না।' পরে তিনি আরও বলেন, 'ইরানে শাসকের পতন ঘটলে তা সেরা জিনিস হবে।' এরই সঙ্গে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছেন তিনি।

Published on: Feb 14, 2026 8:56 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই বড় বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। শুক্রবার তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'যদি চুক্তি না হয়, তাহলে ইরানের জন্য দিনটা ভালো যাবে না।' পরে তিনি আরও বলেন, 'ইরানে শাসকের পতন ঘটলে তা সেরা জিনিস হবে।' এরই সঙ্গে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছেন তিনি।

ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছেন তিনি। (AP)
ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছেন তিনি। (AP)

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চললেও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা কমেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই আবহে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকার সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিয়ার শিগগিরই পশ্চিম এশিয়ার দিকে রওনা দেবে। তাঁর কথায়, 'যদি ইরানের সঙ্গে আমেরিকার কোনও চুক্তি না হয়, তাহলে আমাদের তা দরকার পড়বে।'

এর আগে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন জাহাজটিকে পশ্চিম এশিয়ার কাছে পাঠিয়েছে আমেরিকা। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শোনে, তাহলে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে খামেনেইকে। এর আগে ইরানের একটি ড্রোন ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে গিয়েছিল। সেই সময় ইরানি ড্রোনটিকে ধ্বংস করেছিল আমেরিকা। আবার মার্কিন পতাকাবাহী তেলের ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালীর কাছে ঘিরে ফেলেছিল ইরান। সেই ট্যাঙ্কারকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় মার্কিন রণতরী।

এদিকে এই ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এর আগে ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালাতে গিয়েছিল। তখন থেকেই সেটি সেখানে রয়েছে। এখন ক্যারিবিয়ান সাগর থেকে এই রণতরী সরাসরি পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় অচলাবস্থা এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাহাজটি এখন পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে থাকা বাকি মার্কিন বহরের সঙ্গে যোগ দেবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরীর একযোগে মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল হতে পারে। এরই সঙ্গে কূটনৈতিক ও সামরিক উভয় পর্যায়েই ইরানের ওপর চাপ বাড়বে।