US Analyst on Trump & Modi: ট্রাম্পের চেয়ে ক্ষমতাবান মোদী-জিনপিং, দাবি মার্কিন ভূরাজনৈতিক বিশ্লষকের
মার্কিন ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ইয়ান ব্রেমার কথায়, নানাভাবে ট্রাম্পের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন মোদী এবং জিনপিং। এমন এক সময়ে এই বিবৃতি এসেছে যখন ট্রাম্প প্রতিনিয়ত 'শুল্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় মুনাফা', ৮টি যুদ্ধ বন্ধ এবং নোবেল নিয়ে হাস্যকর সব দাবি করে চলেছেন।
ভূরাজনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিজডেন্টকেই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। তবে মার্কিন বিশেষজ্ঞই মনে করছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়েও বেশি শক্তিশালী। মার্কিন ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ইয়ান ব্রেমার কথায়, নানাভাবে এই দুই নেতা ট্রাম্পের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন। এমন এক সময়ে এই বিবৃতি এসেছে যখন ট্রাম্প প্রতিনিয়ত 'শুল্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় মুনাফা', ৮টি যুদ্ধ বন্ধ এবং নোবেল নিয়ে হাস্যকর সব দাবি করে চলেছেন।
মার্কিন ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ইয়ান ব্রেমার কথায়, নানাভাবে ট্রাম্পের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন মোদী এবং জিনপিং।
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়ান ব্রেমার বলেন, 'বর্তমান বিশ্বে আমেরিকা সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে তা বলা যায় না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান নেতা নন। শি জিনপিং। কারণ, জিনপিংয়ের মধ্যবর্তী নির্বাচন নেই। তাদের কোনও স্বাধীন বিচার বিভাগ নেই। ট্রাম্প তিন বছর পরে আর ক্ষমতায় থাকবেন না, তবে জিনপিং থাকবেন। ট্রাম্প গণমাধ্যমে শিরোনামে আসছেন। তবে শি জিনপিং তাঁর চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে আছেন। মোদীও ভালো অবস্থানে আছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুবিধা পাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প বা ইউরোপের অনেক নেতার ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। একজন নেতা হিসেবে মোদী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় ভারতের নীতিতে ধারাবাহিকতা রয়েছে। এর ফলে তিনি অনেক ইউরোপীয় নেতার চেয়ে বেশি কার্যকর।'
এদিকে ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিস থেকে দূরে রয়েছে ইউরোপের প্রায় সকল বড় দেশ। এদিকে এশিয়ার বড় বড় কয়েকটি মুসলিম দেশ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনও সদস্য নেই ট্রাম্পের বোর্ড। ফ্রান্স, ভারতের মতো দেশকে ট্রাম্প এই বোর্ড অফ পিসে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে ভারত এর কাছেপিঠেও যায়নি। ফ্রান্সও দূরত্ব বজায় রেখেছে এই শান্তি বোর্ড থেকে। এছাড়াও আমেরিকার মিত্র দেশগুলির অনেকেই এই বোর্ডে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্রিটেনও এই বোর্ডের চার্টারে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেছে। এদিকে নরওয়ে ও সুইডেনও এই বোর্ডে যোগ দেবে না। ফরাসি কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে তাদের দেশ গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে সমর্থন করে। তবে ট্রাম্পের এই বোর্ড রাষ্ট্রসংঘের পরিবর্তে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
News/News/US Analyst On Trump & Modi: ট্রাম্পের চেয়ে ক্ষমতাবান মোদী-জিনপিং, দাবি মার্কিন ভূরাজনৈতিক বিশ্লষকের