US Army Secretary in India: ভারতে মার্কিন সেনার সচিব, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে টালবাহানার মাঝে প্রতিরক্ষা নিয়ে কোন বার্তা?

ভারতে পা রাখেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকল। ভারত সফর নিয়ে ড্যান একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, 'ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে কাজ করতে আমি মুখিয়ে আছি। ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা অংশিদারিত্বকে আরও গভীর করব আমরা। কাজ শুরু করা যাক।'

Published on: Jan 24, 2026 9:23 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সাম্প্রতিককালে ভারত-মার্কিন সম্পর্কে চিড় ধরেছে। এমনকী ইন্দোপ্যাসিফিকের 'কোয়াড' জোটের অস্তিত্ব কার্যত আর নেই। তবে এরই মাঝে ভারতের সঙ্গে বেশ কিছু প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা এগোচ্ছে আমেরিকার। এরই মাঝে ভারতে পা রাখেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকল। ভারত সফর নিয়ে ড্যান একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, 'ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে কাজ করতে আমি মুখিয়ে আছি। ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা অংশিদারিত্বকে আরও গভীর করব আমরা। কাজ শুরু করা যাক।'

ভারতে পা রাখেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকল।
ভারতে পা রাখেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকল।

ড্যান ড্রিসকলকে ভারতে স্বাগত জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এবং ভারতীয় সামরিক আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে সামরিক বাহিনীর সচিব হয়েছেন ড্রিসকল। তিনি একদা 'ট্রাম্পের ড্রোন ব্যক্তি' বলে পরিচিত ছিলেন। ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জন্য বিশেষ দূত হিসেবে ড্রিসকলকে নিয়োগ করেছিলেন ট্রাম্প। ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সেনায় ছিলেন ড্রিসকল। ২০০৯ সালে তিনি ইরাকে মোতায়েন ছিলেন। ২০২০ সালে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। নর্থ ক্যারোলাইনার ১১তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে রিপাব্লিকান প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। আর ২০২৪ সালে ড্রিসকলকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সচিব হিসেবে নিয়োগ করেন ট্রাম্প।

এর আগেই মার্কিন সেনেটের বিদেশ বিষয়ক কমিটির সদস্য স্টিভ ডেভিস ভারত সফরে এসেছিলেন গত ১৭ জানুয়ারি। এখানে তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই সফরকালে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশিদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছিলেন স্টিভ। তিনি বলেছিলেন, 'ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সামরিক অংশিদারিত্ব খুবই জরুরি। সরবরাহ শৃঙ্খলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে, মুক্তি ইন্দো-প্যসিফিক নিশ্চিত করতে এবং আমাদের নিরাপত্তার জন্য এটা খুবই জরুরি। এবং তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে আমার।'

ট্রাম্প ১.০ জমানাতেই ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে মৌলিক বিনিময় ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে বিভিন্ন তথ্য বিনিময় করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এদিকে শুল্ক-সংঘাতের মাঝেই ২০২৫ সালেই নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই করেছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিটার হেগসেথ। তবে তারপরেও ভারত-মার্কিন সম্পর্কে সেভাবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে বলে দাবি করা যাবে না। এখনও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। তবে প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশই নীরবে কাজ চালিয়ে যেতে চাইছে।