US Army withdrawn from West Asian Base: ইরানে হামলার জল্পনার মাঝে পশ্চিম এশিয়ার ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে আমেরিকা
কাতার থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ায় হামলার জল্পনা আরও বেড়েছে। এরই সঙ্গে সেই ঘাঁটিতে থাকা আমেরিকার ৬টি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কারও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরান থেকে নাগরিকদের চলে যেতে নির্দেশিকা জারি করেছে ভারত সহ একাধিক দেশ।
খামেনেই বিরোধী আন্দোলনের আবহে আমেরিকা ইরানে হামলা করবে কি না তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এরই মাঝে রিপোর্টে দাবি করা হল, কাতারের আল উদেদ সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, ইরানে হামলা করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটিতে পালটা হামলা চালানো হবে। এই পরিস্থিতিতে কাতার থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ায় হামলার জল্পনা আরও বেড়েছে। এরই সঙ্গে সেই ঘাঁটিতে থাকা আমেরিকার ৬টি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কারও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরান থেকে নাগরিকদের চলে যেতে নির্দেশিকা জারি করেছে ভারত সহ একাধিক দেশ।

মার্কিন সেনা সরানোর বিষয়ে কাতার সরকার এক বিবৃতি জারি করে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ায় বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আমেরিকা এই পদক্ষেপ করেছে। উল্লেখ্য, কাতারে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিটা পশ্চিম এশিয়ায় তাদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। সেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকে বলে জানা যায়। এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে আমেরিকা যখন ইরানে বোমা ফেলেছিল, তখন ইরানও পালটা হামলা চালিয়েছিল কাতারের এই মার্কিন ঘাঁটিতে।
এদিকে সৌদিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আমেরিকান নাগরিকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করে বলেছে, যাতে তারা সামরিক ঘাঁটি এড়িয়ে চলে। এরই সঙ্গে ইজরায়েল তাদের দেশের বহু শহরে আয়রন ডোম মোতায়েন করেছে। এদিকে জেরাসালেম পোস্টের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সৌদি নাকি আমেরিকাকে আর্জি জানিয়েছে, ইরানে যেন সীমিত আকারে হামলা চালানো হয়।
এই সবের মাঝে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড নাকি বন্ধ হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, যদি কোনও আন্দোলনকারীকে ইরান সরকার মৃত্যুদণ্ড দেয়, তাহলে ফল ভালো হবে না। তবে সেই হুঁশিয়ারির তোয়াক্কা না করেই ২৬ বয়সি বিক্ষোভকারী ইরফান সুলতানিকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেন, আন্দোলনকারীদের মৃত্যুদণ্ড নাকি বন্ধ করেছে ইরান।
ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও প্রস্তাবিত মৃত্যুদণ্ড দুটোই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইরানে। ট্রাম্প বলেন, 'আমি জানতে পেরেছি যে, ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে এখন কাউকে ফাঁসি দেওয়া হবে না।' তবে কে তাঁকে এই তথ্য দিয়েছে, জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প কারও নাম বলতে অস্বীকার করেন। তিনি শুধু বলেন, এই তথ্য ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সূত্র থেকে এসেছে। এই আবহে ট্রাম্প বলেন, এখন তাঁর প্রশাসন অপেক্ষা করবে এবং নজর রাখার নীতি গ্রহণ করবে। তিনি আরও দাবি করেন, হোয়াইট হাউস ইরানের কাছ থেকে 'খুব ভালো বার্তা' পেয়েছে। তবে তিনি এখনও সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।
E-Paper











