US on India amid Putin's Visit: রিপোর্টে 'মিষ্টি মিষ্টি কথা', পুতিন ভারতে পা রাখতেই ভারতকে মনে পড়ল আমেরিকার

জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং আমেরিকার কোয়াড জোটের উল্লেখ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্টে। এর আগে বিগত কয়েক মাসে অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমে সম্পর্কে চিড় ধরে ভারত ও আমেরিকার। এই আবহে ট্রাম্প ভারতে আসেননি। কোয়াডের অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। 

Published on: Dec 05, 2025 1:26 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে এবছরই ভারতে আসার কথা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমে সম্পর্কে চিড় ধরে ভারত ও আমেরিকার। এই আবহে ট্রাম্প ভারতে আসেননি। কোয়াডের অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কারণ এর আগে চিনে এক ফ্রেমে ধরা পড়েন ভারতের নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের শি জিনপিং। আর বর্তমানে দুই দিনের সফরে ভারতে আছেন পুতিন। এরই মাঝে হঠাৎ করে কোয়াডের গুরুত্বের কথা মনে পড়ল আমেরিকার। পুতিন ভারতে আসতেই নভেম্বর মাসের আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজি রিপোর্ট প্রকাশ করল ওয়াশিংটন। এবং তাতেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করার কথা বলা হয়েছে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং আমেরিকার কোয়াড জোটের উল্লেখও করা হয়েছে সেই রিপোর্টে।

জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং আমেরিকার কোয়াড জোটের উল্লেখ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্টে (AFP)
জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং আমেরিকার কোয়াড জোটের উল্লেখ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্টে (AFP)

মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়েছে, 'ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (কোয়াড) চতুর্মুখী সহযোগিতার মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় নয়াদিল্লি যাতে অবদান রাখে, তার জন্য তাদের উৎসাহিত করতে হবে। এর জন্য আমাদের ভারতের সাথে বাণিজ্যিক (এবং অন্যান্য) সম্পর্ক উন্নত করতে হবে। যে কোনও একটি প্রতিযোগী জাতির যাতে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার না করতে পারে, তার জন্য আমরা যৌথ স্বার্থে কাজ করব।'

উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ট্রাম্প একাধিকবার ভারত-পাকের সংঘর্ষবিরতিতে মধ্যস্থতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, বাণিজ্য আলোচনাকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক সংঘাত থামান তিনি। তবে নয়াদিল্লি বারবার এই দাবি অস্বীকার করে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার সংঝোতা দ্বিপক্ষীয়ভাবে হয়েছে। পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) ভারতীয় ডিজিএমও-কে ফোন করে হামলা ব্ধের আর্জি জানিয়েছিলেন। এই আবহে ভারত এবং আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। অন্যদিকে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল পাকিস্তান। তবে ভারত সেই সবে পাত্তা দেয়নি। এই সবের মাঝেই ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন ট্রাম্প। মোদীকে একটা সময় ৪ বার ফোন করলেও মোদী কথা বলেননি ট্রাম্পের সঙ্গে। জি৭ সম্মেলনের সময় ফোনে কথোপকথন চলাকালীন ট্রাম্পের সংঘর্ষবিরতি দাবির বিরুদ্ধে সরবও হয়েছিলেন মোদী। তবে ট্রাম্প প্রায় সময়ই জপ করার মতো একবার করে দাবি করে চলেন, তিনি ৭-৮টা যুদ্ধ থামিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম হল ভারত-পাক যুদ্ধ। এবং তাতে নাকি তিনি বাণিজ্যকে হাতিয়ার করেছেন। তবে সেই বাণিজ্য চুক্তি আজও সম্পন্ন হল না ভারত-আমেরিকার সঙ্গে। এদিকে ভারত রাশিয়ার পাশাপাশি চিনেরই কাছাকাছি চলে এসেছে সম্প্রতি। যার জেরে ওয়াশিংটনের একাংশ আতঙ্কিত হয়েছে।