Trump on Indian Rice: চড়া হারে শুল্ক সত্ত্বেও আমেরিকায় কীভাবে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় চাল? বিরক্ত ট্রাম্প

মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টকে ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, 'ভারতকে এই দেশে চাল ডাম্প করার অনুমতি কেন দেওয়া হয়? তাদের শুল্ক দিতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে কি কোনও ছাড় আছে?' জবাবে স্কট বেসেন্ট জানান, ভারতের চালের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্কে কোনও ছাড় নেই। এবং ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য আলোচনা জারি আছে।

Published on: Dec 09, 2025 8:13 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এবার ভারতীয় চালের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা জারি আছে। অপরদিকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা রিপোর্টে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই সবের মাঝেই চড়া হারে মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও সেই দেশে ভারতের চাল বিক্রিতে 'বিরক্ত' ট্রাম্প।

চড়া হারে মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও সেই দেশে ভারতের চাল বিক্রিতে 'বিরক্ত' ট্রাম্প। (AP)
চড়া হারে মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও সেই দেশে ভারতের চাল বিক্রিতে 'বিরক্ত' ট্রাম্প। (AP)

গতকাল হোয়াইট হাউজে এক বৈঠক চলাকালীন মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টকে ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, 'ভারতকে এই দেশে চাল ডাম্প করার অনুমতি কেন দেওয়া হয়? তাদের শুল্ক দিতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে কি কোনও ছাড় আছে?' জবাবে স্কট বেসেন্ট জানান, ভারতের চালের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্কে কোনও ছাড় নেই। এবং ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য আলোচনা জারি আছে। এরপর ট্রাম্প বলেন, 'ভারত এভাবে আমেরিকায় চাল ডাম্প করতে পারে না।'

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে ট্রাম্পের কারণে। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ট্রাম্পের ছবি থেকে কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে। ট্রাম্প প্রায় সময়ই জপ করার মতো একবার করে দাবি করে চলেন, তিনি ৭-৮টা যুদ্ধ থামিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম হল ভারত-পাক যুদ্ধ। এবং তাতে নাকি তিনি বাণিজ্যকে হাতিয়ার করেছেন। তবে সেই বাণিজ্য চুক্তি আজও সম্পন্ন হল না ভারত-আমেরিকার সঙ্গে।

উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে ট্রাম্প একাধিকবার ভারত-পাকের সংঘর্ষবিরতিতে মধ্যস্থতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, বাণিজ্য আলোচনাকে হাতিয়ার করে ভারত-পাক সংঘাত থামান তিনি। তবে নয়াদিল্লি বারবার এই দাবি অস্বীকার করে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার সমঝোতা দ্বিপক্ষীয়ভাবে হয়েছে। পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) ভারতীয় ডিজিএমও-কে ফোন করে হামলা ব্ধের আর্জি জানিয়েছিলেন। এই আবহে ভারত এবং আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। অন্যদিকে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল পাকিস্তান। তবে ভারত সেই সবে পাত্তা দেয়নি। এই সবের মাঝেই ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন ট্রাম্প। মোদীকে একটা সময় ৪ বার ফোন করলেও মোদী কথা বলেননি ট্রাম্পের সঙ্গে। জি৭ সম্মেলনের সময় ফোনে কথোপকথন চলাকালীন ট্রাম্পের সংঘর্ষবিরতি দাবির বিরুদ্ধে সরবও হয়েছিলেন মোদী।