US Tariff on India: ৫০% শুল্কেও ভারতকে দমাতে পারেনি আমেরিকা, এবার ২৫% ট্যারিফ কমাবেন ট্রাম্প?

স্কট বেসেন্টের মতে, ২৫ শতাংশ শুল্কের এই কঠোর পদক্ষেপের কারণে ভারতের তরফে রুশ তেল কেনা হার কমানো হয়েছে ব্যাপক হারে। এই আবহে স্কট বলেন, 'ভারতের ওপর শুল্ক এখনও বহাল রয়েছে, তবে আমি মনে করি এখন সেগুলি সরিয়ে ফেলার একটি উপায় রয়েছে।'

Published on: Jan 24, 2026 1:55 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারতের ওপর থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক কমতে পারে ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। রাশিয়ার তেল কেনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের উপর যে ২৫ শতাংশ 'শাস্তিমূলক শুল্ক' আরোপ করেছিল তা 'সফল' বলে আখ্যা দেন স্কট। এই আবহে সেই শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে মন্তব্য করেন তিনি। তবে মুখে তিনি যাই বলুন না কেন, ভারতের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে লোকসান হয়েছে মার্কিন নাগরিকদেরই। তারা বেশি দামে কিনেছে পণ্য। ভারতের রফতানির ওপর এই শুল্কের যত না প্রভাব পড়েছে, তার থেকে বেশি প্রভাব মার্কিনিদের পকেটে ফেলেছে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ। এই পরিস্থিতিতে নিজের দেশেই ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতার হার তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এদিকে ভারতের বাণিজ্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে দিব্যি চলছে।

ভারতের ওপর থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক কমতে পারে ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। (REUTERS)
ভারতের ওপর থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক কমতে পারে ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। (REUTERS)

স্কট বেসেন্টের মতে, ২৫ শতাংশ শুল্কের এই কঠোর পদক্ষেপের কারণে ভারতের তরফে রুশ তেল কেনা হার কমানো হয়েছে ব্যাপক হারে। এই আবহে স্কট বলেন, 'ভারতের ওপর শুল্ক এখনও বহাল রয়েছে, তবে আমি মনে করি এখন সেগুলি সরিয়ে ফেলার একটি উপায় রয়েছে।' এদিকে রুশ তেল ইস্যুতে স্কট ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করেন স্কট। তিনি বলেন, 'রাশিয়ার তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের ওপর কোনও ধরনের শুল্ক বা জরিমানা আরোপ করতে ইউরোপীয় দেশগুলি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে।' ভারতের সঙ্গে ইউরোপের বড় মাপের বাণিজ্য চুক্তি হতে চলেছে বলেই তারা ভারতের ওপর শুল্ক চাপায়নি বলে দাবি স্কট বেসেন্টের। এদিকে ভারতের থেকে পরিশোধিত তেল কেনায় ইউরোপীয়দের 'বোকা' আখ্যা দিয়েছেন স্কট।

এর আগে ট্রাম্প মুখে দাবি করেছিলেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় ভারতের ওপর শুল্ক চাপানো হচ্ছে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য বেড়েছে ট্রাম্পের জমানাতেই। এদিকে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতার দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। ভারত সেই দাবি অস্বীকার করে। এরপর থেকেই নিজের মনের মতো গল্প বানিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি নাকি মোদীকে ফোন করে যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছিলেন। এবং যুদ্ধ করলে বাণিজ্য চুক্তি না করা নিয়ে মোদীকে বার্তা দেওয়ার পর নাকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নাকি বলেছিলেন, 'না না বাণিজ্য চুক্তি তো করতে হবে'। ট্রাম্প বলেছিলেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করে করেছিলাম। আমি দুই দেশকেই বলেছিলাম যে আমি প্রতিটি দেশের উপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব... যার মানে তারা কখনও আর আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। আমি শুল্কের কথা বলে শুধু ভালো ভাষায় বোঝাতে চেয়েছিলাম, আমরা আপনার সাথে ব্যবসা করতে চাই না।'