Vande Mataram New Rule by Govt: জাতীয় সঙ্গীতের আগে এবার বাজবে বন্দে মাতরম, জারি উঠে দাঁড়ানোর নির্দেশ

নয়া নিয়মের অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের আগেই বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। এই সময়ে সবাইকে বাধ্যতামূলক ভাবে দাঁড়াতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই গানটি ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড দীর্ঘ হবে।

Published on: Feb 11, 2026 11:30 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এবার বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন নিয়ম জারি করল সরকার। নয়া নিয়মের অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের আগেই বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। এই সময়ে সবাইকে বাধ্যতামূলক ভাবে দাঁড়াতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই গানটি ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড দীর্ঘ হবে। জানা গিয়েছে, নিয়মে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রগীত ও জাতীয় সঙ্গীত একসঙ্গে গাওয়া হলে প্রথমে বন্দে মাতরম গাওয়া হবে।

নয়া নিয়মের অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের আগেই বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। (PTI)
নয়া নিয়মের অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের আগেই বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। (PTI)

প্রাথমিকভাবে বন্দে মাতরম স্বাধীনভাবে রচিত হয়েছিল এবং পরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস আনন্দমঠ (১৮৮২ সালে প্রকাশিত)-এ তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ১৮৯৬ সালে কলকাতায় কংগ্রেস অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বন্দে মাতরম গেয়েছিলেন। বন্দে মাতরম প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছিল ১৯০৫ সালের ৭ অগস্ট। ১৯৫০ সালে গণপরিষদ এটিকে ভারতের রাষ্ট্র গান হিসাবে গ্রহণ করা হয়। এই আবহে নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনেক সরকারি অনুষ্ঠানেই বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক। পতাকা উত্তোলনের সময়, রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানের আগে ও পরে, রাজ্যপালদের আগমন ও প্রস্থানের আগে ও পরে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক। পদ্ম পুরস্কারের মতো অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাজানো হবে।

প্রসঙ্গত, ১৮৭০-র দশকে বন্দে মাতরম লেখেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই আবহে গত ৭ নভেম্বর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ বা ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে গত ডিসেম্বরে শীতকালীন অধিবেশনে সংসদে মোদী অভিযোগ করেছিলেন যে, কংগ্রেস বন্দে মাতরমের গুরুত্বপূর্ণ স্তবক বাদ দিয়ে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, '১৯৩৭ সালে বন্দে মাতরমের গুরুত্বপূর্ণ স্তবক, যা গানটির প্রাণ, সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বন্দে মাতরমের ওই বিভাজন দেশভাগের বীজ বপন করেছিল। ‘আজকের প্রজন্মের জানা উচিত, জাতি গঠনের এই মহামন্ত্রের সঙ্গে কেন এই অবিচার করা হয়েছিল। এই বিভাজনমূলক মানসিকতা এখনও দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ।' পরে অবশ্য কংগ্রেস সভাপতি বলেছিলেন, '১৯৮৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত, কংগ্রেসের ছোট-বড় প্রত্যেকটি বৈঠকে আমরা গর্বের সঙ্গে বন্দে মাতরম গাই। এই গান আমাদের দেশমাতৃকার গান। মানুষের মধ্যে একতা এবং প্রত্যেক ভারতবাসীর প্রাণের গান বন্দে মাতরম।'