Vidyasagar Setu Update: রবিবার বন্ধ দ্বিতীয় হুগলি সেতু, দিনভর ভোগান্তির আশঙ্কা; বিকল্প পথ জানাল লালবাজার
Vidyasagar Setu Update: হাওড়া-কলকাতার সংযোগস্থাপনকারী দ্বিতীয় হুগলি সেতু বন্ধ রবিবার। চরম ভোগান্তি জনতার। কী বলছে প্রসাশন?
ছুটির দিনে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে থমকে যেতে হতে পারে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি দিনভর বন্ধ থাকছে বিদ্যাসাগর সেতু। যাকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু নামেও চেনেন আপনি। কলকাতা এবং হাওড়ার মধ্যে সংযোগকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি বন্ধ থাকার ফলে শহর জুড়ে যানজটের আশঙ্কা করছে ট্রাফিক পুলিশ। ভোগান্তি এড়াতে সাধারণ মানুষের জন্য একগুচ্ছ বিকল্প রাস্তার নির্দেশিকা জারি করেছে লালবাজার।

কেন এই যানজটের গেরো? সূত্রের খবর, দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলে বিদ্যাসাগর সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি কিছু যান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। মূলত সেতুর ভারবহনকারী তার বা 'স্টে-কেবলস' এবং অন্যান্য যান্ত্রিক পরীক্ষা করা হবে। ছুটির দিন হওয়ায় এই কাজ দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে রাত পর্যন্ত। তবে জরুরি পরিষেবার গাড়ি এবং ছোট গাড়ি চলাচলের জন্য কিছু বিশেষ সুবিধা রাখা হলেও, পণ্যবাহী বা ভারী যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
সকাল থেকেই সেতুর দু’প্রান্তে পুলিশের বিশেষ দল মোতায়েন রয়েছে। যানজট মোকাবিলায় যে রুট ম্যাপ দেওয়া হয়েছে তা হলো: ১. হাওড়া অভিমুখী গাড়ি: দক্ষিণ কলকাতা থেকে আসা গাড়িগুলিকে স্ট্র্যান্ড রোড হয়ে হাওড়া ব্রিজের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২. কলকাতা অভিমুখী গাড়ি: কোনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে আসা গাড়িগুলিকে নিবেদিতা সেতু কিংবা বালি ব্রিজের রাস্তা ধরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ৩. অন্যান্য রুট: কিছু বাস ও লরিকে আন্দুল রোড ও জিসি এভিনিউ হয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই লালবাজার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যাসাগর সেতু বন্ধ থাকার প্রভাবে স্ট্র্যান্ড রোড এবং বিবাদী বাগ চত্বরে গাড়ির চাপ বাড়বে। বড়বাজার ও হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় যানজট রুখতে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে যতটা সম্ভব আজ হাওড়া ব্রিজ এড়িয়ে অন্য বিকল্প পথে যাতায়াতের আর্জি জানানো হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের।
রবিবার বিকেলের মধ্যে মূল রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ করে ফেলা সম্ভব হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের এই নিয়ন্ত্রণ জারি থাকবে।
E-Paper











