'ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি...,' কাটছে শুল্ক জট? দু'দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে কী বললেন মন্ত্রী?

গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছেন।

Published on: Jan 31, 2026 9:12 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এমনটাই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রপ্তানি দ্বিগুণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, স্টার্টআপ এবং উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

কী বললেন মন্ত্রী? (ANI Video Grab)
কী বললেন মন্ত্রী? (ANI Video Grab)

হিন্দুস্তান টাইমসকে সাক্ষাৎকারে পীযূষ গোয়েল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিকে ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছেন। তবে এই চুক্তি কবে চূড়ান্ত হবে, সেই সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, 'আমরা সক্রিয়ভাবে জড়িত। আমরা কখনই কোনও সময়সীমা মাথায় রেখে কোনও চুক্তি করি না। উভয় পক্ষই সম্মতি জানালে তারিখ ঘোষণা করা হবে।' তিনি আরও বলেন, 'আমি মনে করি না যে কোনও জটিল সমস্যা সমাধান করতে বাকি আছে। আমরা এখন শেষ পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারি।' গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছেন। এরমধ্যে ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক এবং আরও ২৫ শতাংশ ছিল রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর 'শাস্তি' হিসেবে চাপানো অতিরিক্ত শুল্ক। এই পরিস্থিতিতে ভারতের রফতানি বড়সড় ধাক্কা খায়। নতুন চুক্তির মাধ্যমে এই চাপ কমানোর চেষ্টা করছে উভয় দেশ।

পীযূষ গোয়েল জানান, ভারত-ইইউ এফটিএ একটি শক্তিশালী চুক্তি, যা ভারতের জন্য বড় সুযোগের দ্বার খুলে দেবে, একই সঙ্গে দেশের সংবেদনশীল খাতগুলিকেও সুরক্ষা দেবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মবিশ্বাস ও দিক নির্দেশনার ফলেই এই বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার পথ সুগম হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, এই এফটিএ দেশের শ্রমনির্ভর শিল্পখাতের জন্য ‘গেম-চেঞ্জার’ হতে পারে এবং ভারতের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে নতুন গতি আনবে। তাঁর কথায়, যে কোনও এফটিএ চূড়ান্ত করার সময় মোদী সরকার দেশের মূল স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তি দেশের শ্রমনির্ভর শিল্পখাতের জন্য ‘গেম-চেঞ্জার’ হতে পারে এবং ভারতের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে নতুন গতি আনবে। তাঁর কথায়, যে কোনও এফটিএ চূড়ান্ত করার সময় নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশের মূল স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পীযূষ গোয়েল উল্লেখ করেন, ইইউ-র সঙ্গে এই চুক্তি কেবল বাণিজ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের উৎপাদন খাতকে আরও শক্তিশালী করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।