Richa Ghosh: পুলিশের DSP পদে রিচাকে চাকরি দিল মমতা সরকার, কত টাকা আর্থিক পুরস্কার পেলেন বিশ্বজয়ী তারকা?
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গভূষণ পদক, ডিএসপি নিয়োগপত্র এবং সোনার চেন রিচা ঘোষের হাতে তুলে দেন।
প্রথম বাঙালি হিসাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি হাতে তুলেছেন রিচা ঘোষ। এতদিন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘ফিমেল মহেন্দ্র সিং ধোনি’ বলা হত শিলিগুড়ির এই কন্যেকে। যদিও এখন দুনিয়া তাঁকে চেনে রিচা ঘোষ নামেই। মারকুটে ব্যাটার, সঙ্গে দুর্দান্ত উইকেট কিপার রিচা।

রিচার সাফল্যে গর্বিত দেশ, গর্বিত বাংলা। শনিবার ইডেন গার্ডেনে এক জমকালো অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপজয়ী উইকেটরক্ষক-ব্যাটার রিচা ঘোষকে সংবর্ধনা জানানো হল সিএবি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে। এদিন মমত সরকার তাঁকে বঙ্গভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করে। পাশাপাশি ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (DSP) হিসাবে নিযুক্ত করা হয় রিচাকে। নিয়ম মাফিক শুরুতেই ম
শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি সোনার চেইন উপহার দেয় বিশ্বজয়ী তারকাকে। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল,বিশ্বকাপ ফাইনালে তার প্রতিটি রানের জন্য রিচাকে ৩৪ লাখ টাকা পুরস্কার তুলে দেয়। রিচা বাংলার প্রথম বিশ্বকাপ বিজয়ী ক্রিকেটার।
এর আগে বিশ্বকাপ জয়ের দোরগোড়ায় এসে ব্য়র্থ হয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে অজিবাহিনীর হাতে পরাজিত হয় টিম ইন্ডিয়া। পরবর্তীতে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের কিংবদন্তি , চাকদা এক্সপ্রেস ঝুলন গোস্বামীও খুব কাছে পৌঁছালেও কাপ ছুঁতে পারেননি। রিচা পারলেন। প্রথম বাঙালি ক্রিকেটার হিসাবে বিশ্বকাপ উঠল তাঁর হাতে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রোটিয়া বধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন রিচা। ৭ নম্বরে ব্যাটিং করে, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনালে মাত্র ২৪ বলে তিনটি চার এবং দুটি ছক্কা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩৪ রান করেছিলেন, যা ভারতকে চ্যালেঞ্জিং ২৯৮ রান করতে সহায়তা করেছিল। লরা উলভার্টের শতরানে ভর করেও মাত্র ২৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।
সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শিলিগুড়ির এই কন্যের প্রশংসা করে বলেন, ‘রিচা রাজ্যকে গর্বিত করেছেন। আমি আশা করি তিনি তাঁর ভাল কাজ চালিয়ে যাবেন এবং একদিন ভারতীয় মহিলা দলের অধিনায়কত্ব করবেন’।

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে, রিচা আটটি ইনিংসে মোট ২৩৫ রান করেছিলেন , তাঁর গড় রান ৩৯.১৬, যা ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। রিচা এদিন বলেন., ‘আমি চাপ উপভোগ করি। আমি যখন নেটে ব্যাট করি, তখন আমি সময়ের দিকে নজর রাখি এবং সেই নির্দিষ্ট সময়ে আমি কত রান করতে পারি তা দেখি’। সিএবি তাঁকে সোনার ব্যাট এবং বল উপহার দেয় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গভূষণ পদক, ডিএসপি নিয়োগপত্র এবং সোনার চেন রিচার হাতে তুলে দেন।
বঙ্গভূষণ এবং বঙ্গ বিভূষণ পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান, যা শিল্প, সংস্কৃতি, সাহিত্য, জনপ্রশাসন এবং জনসেবা সহ মানবিক প্রচেষ্টার বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলার মহিলা ক্রিকেট আইকন ঝুলন গোস্বামী, রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং রিচার বাবা-মা মানবেন্দ্র ও স্বপ্না ঘোষ।












