Osman Hadi Family Update: হাদির ভাইকে বিদেশে চাকরির পর পরিবারকে ইউনুস সরকার দিচ্ছে কোটি টাকার…

হাদির পরিবার কী পেল ইউনুস সরকারের তরফে?

Published on: Jan 20, 2026 9:49 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের ঢাকায় খোলা রাস্তায়, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির ওপর চলে গুলি। সেই ঢাকাতেই ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের জন্য কোটি টাকা মূল্যের অনুদান। এদিকে, এখনও ধরা পড়েনি হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ফয়সল। গুলি চালনার ঘটনার একমাস পার হয়ে গেলেও হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। কোর্টে চলছে হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে কেস। তার মাঝেই হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাট কিনতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা অনুদান দিয়েছে মহম্মদ ইউনুসের সরকার।

হাদির ভাইকে বিদেশে চাকরির পর পরিবারকে ইউনুস সরকার দিচ্ছে কোটি টাকার… (ফাইল ছবি) (REUTERS)
হাদির ভাইকে বিদেশে চাকরির পর পরিবারকে ইউনুস সরকার দিচ্ছে কোটি টাকার… (ফাইল ছবি) (REUTERS)

হাদি হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্তের ধরা না পড়া নিয়ে কিছুদিন আগেই সুর চড়া করেছিল ইনকিলাম মঞ্চ। এই সংগঠনেরই মুখপাত্র ছিলেন ওসমান হাদি। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের নানান প্রান্তে স্লোগান উঠেছিল, ‘জাস্টিস ফর হাদি’। এদিকে , তারই মাঝে ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে বার্মিংহামে বাংলাদেশের সরকারী হাইকমিশনের অফিসে চাকরিতে নিযুক্ত করেছে ইউনুস সরকার। চুক্তির ভিত্তিতে এই নিয়োগ হয়। এরপর সদ্য হাদির পরিবারকে ১ হাজার ২১৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাট কিনতে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে। যে এলাকায় এই ফ্ল্যাট দেওয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের সরকারি কর্মীদের আবাসিক ভবন,'দোয়েল টাওয়ার'। সেখানেই হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাট দেয় ইউনুস সরকার। এই বিষয়ে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ নথিপুত্র অনুমোদনের কাজ সেরে ফেলেছেন।

এই ফ্ল্যাট হাদির স্ত্রী, সন্তানরা ব্যবহার করবেন বলে জানানো হয়েছে অর্থ উপদেষ্টার তরফে। এর আগে, হাদির মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব ইউনুস সরকার নেবে বলে জানানো হয়েছিল। এর আগে, সদ্য গত ১৫ জানুয়ারি হাদির স্ত্রী এক সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্যাটাসে প্রশ্ন তোলেন ,'ওসমান হাদির হত্যার বিচার কি আদৌ হবে?'

এর আগে, হাদির মৃত্যুতে গর্জে ওঠা তাঁর ভাই ওসমানকে তিন বছরের জন্য বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে নিযুক্ত করে ইউনুস সরকর। এর আগে হাদি হত্যা নিয়ে হাদির ভাই বলেছিলেন,'যে সময়ে আমার ভাইকে খুন করা হল, তখন ক্ষমতায় অন্তর্বর্তী সরকার। তাই নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় তাদেরই নিতে হবে। বিচার একদিন হবেই।' ওমর দাবি করেছিলেন, হাদির হত্যা পূর্ব পরিকল্পিত। তাঁর আরও দাবি ছিল যে, নির্বাচন বানচাল করতেই হাদিকে হত্যা করা হয়। ওমর কয়েক সপ্তাহ আগেই বলেছিলেন,'আমার ভাই নির্বাচন প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল। ওঁকে খুন করে এখন সেই ঘটনাকেই ইস্যু বানিয়ে ভোট বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা চলছে। এটা সরাসরি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা।' এদিকে, তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে রাজনৈতিক কারণে হাদির হত্যা হয়েছে।