Bhoot Chaturdashi 2025: ভূতচতুর্দশীতে ১৪ প্রদীপ ১৪ পুরুষের জন্যই শুধু জ্বালানো হয়? জানুন শাস্ত্রমত
Bhoot Chaturdashi 2025 Candle Lighting: ভূতচতুর্দশীতে চোদ্দ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি প্রচলিত রয়েছে বহু প্রাচীনকাল থেকেই। কিন্তু শুধু ১৪ পুরুষের জন্যই কি এই দীপ জ্বালানো হয়ে থাকে?
ভূত চতুর্দশীর দিন বহু পরিবারে ১৪টি প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে। কিন্তু এই দিন ১৪টি প্রদীপ কেন জ্বালানো হয়, তা নিয়ে বহু মত প্রচলিত। কেউ বলেন, চোদ্দ পুরুষের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হয় এই চোদ্দটি প্রদীপ। আবার কারও কথায়, এই প্রদীপগুলি ১৪টি ভুবনের প্রতীক।

১৪ পুরুষের উদ্দেশ্যে
এটি সবচেয়ে প্রচলিত বিশ্বাস। মনে করা হয়, এই ১৪টি প্রদীপ বংশের ১৪ জন পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে জ্বালানো হয়। এই প্রদীপ জ্বালিয়ে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং মনে করা হয় যে অন্ধকার থেকে তাঁরা যেন আলো দেখতে পেয়ে নিজেদের পথে ফিরে যেতে পারেন। অনেকে মনে করেন, পিতৃপক্ষের পর এই তিথিতেই পিতৃপুরুষেরা পিতৃলোকে ফিরে যান, তাই তাঁদের পথ দেখানোর জন্য এই আলোর ব্যবস্থা।
১৪ ভুবনের প্রতীক
পুরাণ অনুসারে ১৪টি ভুবনের (সাতটি স্বর্গলোক এবং সাতটি পাতাললোক) উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ১৪টি প্রদীপ সেই ১৪টি ভুবনের অধিবাসীদের প্রতি সম্মান জানাতে বা ১৪টি লোককে আলোকিত করার প্রতীক হিসাবে জ্বালানো হয়।
অশুভ শক্তি দূর করা ও যমের পুজো
এই দিনটিকে 'নরক চতুর্দশী' বা 'যম চতুর্দশী' নামেও ডাকা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই তিথিতে পৃথিবীতে অশুভ শক্তি বা ভূত-প্রেতের আনাগোনা বাড়ে। এই ১৪টি প্রদীপ জ্বালিয়ে সেই অশুভ শক্তিকে বাড়ি থেকে দূরে রাখা হয়।
আরও পড়ুন - দীপাবলির আগে পরে ঘর বদলাচ্ছেন বুধ! বাম্পার অফার কেরিয়ারে, প্রেমেও খুলবে কপাল
আরও পড়ুন - Dhanteras Surya Gochar: ধনতেরাসের একদিন আগেই মালামাল হবে এসব রাশি! সূর্যের ছটার খেলায় চমকাবে ভাগ্য
১৪ জন যমের উদ্দেশ্যে
আবার এটি যমরাজের পুজো হিসাবেও দেখা হয়। মৃত্যুর দেবতা যমরাজের নামে প্রদীপ জ্বালানো হয় যাতে অকালমৃত্যুর ভয় দূর হয় এবং নরকের কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এদিন ১৪ জন যমের উদ্দেশে তর্পণ করারও রীতি আছে।
চতুর্দশী তিথি বলে
আবার তিথিটি চতুর্দশী হওয়ায় এবং হিন্দু শাস্ত্রের নানা ব্যাখ্যায় ১৪ সংখ্যাটির গুরুত্ব থাকায় ১৪টি প্রদীপ জ্বালানোর এই বিশেষ রীতি প্রচলিত হয়েছে বলে মনে করা হয়।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

