Bhut Chaturdashi 2026:ভূত চতুর্দশী ২০২৬ কবে পড়ছে! চোদ্দ প্রদীপ দেওয়ার দিনের তিথি শুরু কোন তারিখে, দেখে নিন পঞ্জিকামত
ভূত চতুর্দশী ২০২৬ তিথি মানেই চোদ্দশাক খাওয়া আর চোদ্দ প্রদীপ দেওয়ার দিন। ২০২৬ সালে দিনটি কবে পড়ছে, তা দেখে নিন।
২০২৬ সালের কালীপুজো আসতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। কালীপুজোর আগে কার্তিক মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীর দিনটিকে ভূত চতুর্দশী হিসাবে পালন করা হয়। এই দিনে ঘরে ঘরে চোদ্দটি প্রদীপ জ্বালিয়ে অশুভ শক্তিকে বিতাড়ণ করা হয়। ভূত চতুর্দশী সম্পর্কে ভিন্ন জন বিভিন্ন মতামত পোষণ করেন।

কারও মতে পূর্বপুরুষের আত্মা এই তিথিতে মর্ত্যলোকে আসেন। কোথাও আবার দিনটিকে নরক চতুর্দশী বলে ব্যাখ্যা করা হয়। এটি ছোট দিওয়ালি, রূপ চৌদাস, নরকা চৌদাস, রূপ চতুর্দশী বা নরকা পূজা নামেও পরিচিত। এই দিনে মৃত্যুর দেবতা যমরাজ ও শ্রীকৃষ্ণের পূজা করার বিধান রয়েছে। কথিত রয়েছে, শ্রীকৃষ্ণের কাছে নরকাসুর অনুরোধ করেন যে, পৃথিবীতে এমন একটি দিন যেন তাঁর নামে দেওয়া হয়, যেদিন নরকাসুরকে সকলে পুজো করবে। আর এভাবেই নরকাসুর অমর হয়ে থাকবেন। 'তথাস্তু' বলে দেন শ্রীকৃষ্ণও। এরপরই নরক চতুর্দশীর দিন নরকাসুরের উদ্দেশে পুজোপাঠ হয়। এমন বহু কিছু প্রচলিত রয়েছে ভূত চতুর্দশীর পার্বন ঘিরে। দেখে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালে ভূত চতুর্দশী কবে পড়ছে। প্রসঙ্গত, এই দিনে চোদ্দ শাক খাওয়া ও চোদ্দটি প্রদীপ দেওয়ার রীতি রয়েছে।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে বাংলা ২১ কার্তিক, শনিবার,ইংরেজি– ৭ নভেম্বর, শনিবার, সময়, সকাল ১০টা ৪৯ মিনিট থেকে পড়ছে ভূত চতুর্দশী তিথি। চতুর্দশী তিথি শেষ হবে, বাংলা– ২২ কার্তিক, রবিবার,ইংরেজি, ৮ নভেম্বর। সেই দিন সময়– সকাল ১১টা ২৮ মিনিটে তিথি শেষ হবে।
গুপ্তপ্রেশ পঞ্জিকা, চতুর্দশী তিথি আরম্ভ বাংলা, ২০ কার্তিক, শনিবার,ইংরেজি, ৭ নভেম্বর, শনিবার সময়, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে তিথি পড়ছে। চতুর্দশী তিথি শেষ বাংলা ২১ কার্তিক, রবিবার। ইংরেজি ৮ নভেম্বর, রবিবার সময় সকাল ১০টা ৪৬ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে শেষ হবে চতুর্দশী তিথি।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


