Chandra Grahan 2026 on Rakhi Purnima: ২০২৬ রাখি পূর্ণিমার দিনে চন্দ্রগ্রহণ! ভারতে দেখা যাবে? জ্যোতিষমত দেখে নিন

 ২০২৬ সালে, রাখি বন্ধন উৎসব ২৮ অগস্ট, শুক্রবার উদযাপিত হবে। বিশেষ ব্যাপার হলো, বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণও ঘটছে এই দিনটিতে। তবে এই চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দৃশ্যমান হবে না, তাই এখানে সুতক পিরিয়ড বৈধ হবে না।  

Published on: Jun 21, 2026, 17:01:00 IST
By , नई दिल्ली
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাখি বন্ধন ভাই-বোনের মধ্যে ভালোবাসা ও বিশ্বাসের উৎসব। ২০২৬ সালে, এই উৎসব শুক্রবার, ২৮ আগস্ট উদযাপিত হবে। বিশেষ ব্যাপার হল, বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণও ঘটছে এই দিনটিতে। এমন পরিস্থিতিতে রাখি বাঁধার সময়, উৎসবের ঐতিহ্যের ওপর এই গ্রহণের কোনও প্রভাব পড়বে কি না, সেই প্রশ্ন অনেকের মনে জাগে। আপনিও যদি এ নিয়ে বিভ্রান্ত হন, তাহলে জেনে নিন কী নিয়ম থাকবে আর কী কী থাকবে না।

Kya Chandra Grahan Raksha Bandhan par lagega
Kya Chandra Grahan Raksha Bandhan par lagega

রাখি বন্ধনের দিন চন্দ্রগ্রহণ কবে হবে?

জ্যোতিষশাস্ত্রের হিসাব অনুসারে, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ এ চন্দ্রগ্রহণ ভারতীয় সময় অনুসারে, সকাল ৬:৫৩ মিনিটে শুরু হবে এবং দুপুর ১২:৩২ মিনিটে অবধি চলবে। গ্রহণের মোট সময়কাল প্রায় ৫ ঘন্টা ৩৯ মিনিট হবে। এটি একটি গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ বলে মনে করা হয়, যেখানে চাঁদের বেশিরভাগ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় থাকবে। গ্রহণের সময় চাঁদের রঙ লাল বা তামার মতো দেখাতে পারে, তাই অনেক জায়গায় একে 'ব্লাড মুন'ও বলা হয়।

কোন রাশিচক্র এবং নক্ষত্রমণ্ডলে গ্রহণ ঘটবে?

এবার কুম্ভ রাশিতে চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে এবং এটি শতভিষা নক্ষত্রপুঞ্জের সাথে সম্পর্কিত হবে। গ্রহণের সময় অনেকেই মন্ত্র জপ ও ধ্যানকে গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে গর্ভবতী মহিলাদেরও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে, গ্রহণ সম্পর্কিত ধর্মীয় নিয়ম মেনে চলা তখনই প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয় যখন সেই স্থানে গ্রহণ দৃশ্যমান হয়।

জ্যোতিষীদের মতে, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ এর এই চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দৃশ্যমান হবে না। একটি ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে যে, যে দেশ বা অঞ্চলে গ্রহণ দৃশ্যমান হয় না, এমনকি তার সুতক সময়ও বৈধ নয়। এই কারণেই ভারতে এই গ্রহণের রাখীবন্ধন উৎসবে কোনও ধর্মীয় প্রভাব হিসাবে বিবেচনা করা হবে না। এর অর্থ হ'ল বোনেরা নির্ধারিত শুভ সময়ে তাদের ভাইদের রাখি বাঁধতে সক্ষম হবেন এবং উৎসবের সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সম্পাদন করা হবে। গ্রহণের কারণে রাখি বন্ধনের তারিখ বা পূজার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হবে না।

সূতক যুগের নিয়ম কী?

সাধারণত, চন্দ্রগ্রহণের প্রায় ৯ ঘন্টা আগে সূতক কাল শুরু বলে মনে করা হয়। এই সময়ে, শুভ কাজ সম্পন্ন হয় না। কিন্তু শাস্ত্র অনুসারে, যদি কোনও জায়গায় গ্রহণ দৃশ্যমান না হয়, তবে সেখানে সূতক কাল প্রযোজ্য নয়। যেহেতু এই চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না, তাই এখানে সূতককাল বৈধ থাকবে না।

আপনাকে কি এটা মাথায় রাখতে হবে?

চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই, তবে রাখি বন্ধনে ভদ্রকালের যত্ন নিতে হবে। পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, ভাদ্রের সময় রাখি বাঁধা শুভ বলে মনে করা হয় না। অতএব, রাখি বাঁধার আগে বোনেদের অবশ্যই শুভ সময় এবং ভাদ্রের সমাপ্তি দেখে নেওয়া উচিত বলে মনে করা হয়।

(এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। ডিসক্লেইমার: আমরা দাবি করি না যে এই নিবন্ধে থাকা তথ্য সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More