একটি লবঙ্গও বদলে দিতে পারে ভাগ্য! এমনই বলছে জ্যোতিষ, কী করতে হবে
Astrological Benefits of Clove: বাড়িতে আয় উন্নতি নেই, বাড়ছে অভাব-অনটন, লবঙ্গের এই টোটকা আপনার ভাগ্যকে বদলাতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক টোটকাটি কী।
এই কাজটি নিয়মিত করতে পারলে খুবই লাভ হতে পারে। টোটকাটি করার জন্য লবঙ্গ কর্পুর আর রুপোর বাটি লাগবে। রুপোর বাটি না পেলে স্টিলের বাটি লাগবে। টোটকাটি প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে করলে উপকার পেতে পারেন।

প্রতিদিন রাত্রিবেলায় ঘুমানোর আগে রান্নাঘরে ঠাকুরের আসনের সামনে বসে এই কাজটি করতে হবে। একটি রুপোর বাটি নিতে হবে, তার মধ্যে কিছুটা কর্পুর ও দুটো লবঙ্গ নিতে হবে। এরপর লবঙ্গ দুটিকে কর্পুর সঙ্গে জ্বালিয়ে দিতে হবে।
তারপর মনে মনে মা অন্নপূর্ণাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আর্থিক কষ্ট এবং অভাব অনটন দূর করে দেয়ার জন্য প্রার্থনা করবেন। নিয়মিত এই কাজটি কিছু মাস করার পর থেকে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন। কাজটি করার আগে রান্নাঘর অবশ্যই পরিষ্কার করে নেবেন। রান্নাঘরে যেন এঁটো কাটা পড়ে না থাকে সে বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখবেন। এঁটো বাসন নির্দিষ্ট জায়গায় গুছিয়ে রাখবেন এবং রান্নাঘর ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে তবে এই কাজটি করবেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


