হনুমান জয়ন্তীতে নিবেদন করুন এই সব ভোগ! কেটে যাবে দুর্ভোগ-বাধা-বিপত্তি, আসবে সমৃদ্ধি

প্রতি বছর চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। জেনে নেওয়া যাক হনুমান জয়ন্তীতে তাঁর আশীর্বাদ লাভের জন্য হনুমানজিকে কী কী নিবেদন করা উচিত।

Published on: Apr 2, 2026, 10:01:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রতি বছর চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। বানররাজ কেশরী ও অঞ্জনার পুত্র হনুমানকে ভগবান শিবের একাদশ অবতার, রুদ্র অবতার বলে মনে করা হয়। এই উৎসবটি দেশজুড়ে মহা ধুমধাম করে পালিত হয়। এই দিনে হনুমানজির যথাযথ পুজোর পাশাপাশি তাঁকে হনুমান চালিসা, বজরং বাণ এবং তাঁর প্রিয় নৈবেদ্য নিবেদন করা উচিত। এতে সুখ, সমৃদ্ধি, সম্পদ এবং সম্মান বৃদ্ধি পেতে পারে। ভগবান রামের আশীর্বাদও লাভ করা যায়। জেনে নেওয়া যাক হনুমান জয়ন্তীতে তাঁর আশীর্বাদ লাভের জন্য হনুমানজিকে কী কী নিবেদন করা উচিত।

হনুমান জয়ন্তীতে নিবেদন করুন এই সব ভোগ! কেটে যাবে দুর্ভোগ-বাধা-বিপত্তি
হনুমান জয়ন্তীতে নিবেদন করুন এই সব ভোগ! কেটে যাবে দুর্ভোগ-বাধা-বিপত্তি

জিলিপি

হনুমানজি জিলিপি খুব পছন্দ করেন। হনুমানজিকে এগুলি নিবেদন করলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে। সমস্ত কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারেব এবং অনেক ইচ্ছা পূরণও হতে পারে।

বোঁদের লাড্ডু

ভগবান হনুমানকে বোঁদের লাড্ডু বা বোঁদে নিবেদন করলে তিনি অত্যন্ত প্রসন্ন হন। তাঁর আশীর্বাদে গ্রহসংক্রান্ত বাধা দূর হয়। প্রজ্ঞা ও জ্ঞান লাভ করা যায়।

বেসনের লাড্ডু

হনুমানজি বেসনের লাড্ডু খুব পছন্দ করেন। তাঁকে এগুলি নিবেদন করলে তিনি অতান্ত প্রসন্ন হন। এগুলিকে সাহস, শক্তি এবং সামর্থ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। এগুলি নিবেদন করলে সমস্ত কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়।

পান পাতা

হনুমানজয়ন্তীতে মিষ্টি পান নিবেদন করা উচিত। এতে শত্রুর বাধা থেকে মুক্ত হওয়া যায়। এটা মঙ্গল দোষ এবং শনি দোষের অশুভ প্রভাবও কমাতে পারে এবং কর্মজীবনে উন্নতি ঘটাতে পারে।

ভাজা ছোলা এবং গুড়

হনুমান জয়ন্তীতে ভগবান হনুমানকে ভাজা ছোলা-সহ গুড় নিবেদন করা উচিত। এটাকে পবিত্রতা এবং শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটা নিবেদন করলে জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল দোষ এবং শনি দোষের অশুভ প্রভাব হ্রাস পেতে পারে। কাজের বাধা দূর হতে পারে এবং সুখ ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ লাভ করতে পারেন।

এইভাবে হনুমানজিকে ভোগ নিবেদন করুন

হনুমানের জন্মবার্ষিকীর দিনে স্নান সেরে পরিষ্কার বস্ত্র পরে। তারপর, শাস্ত্রীয় পুজো সম্পন্ন করে ঘি বা সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালান। জুই ফুলের সঙ্গে মেশানো সিঁদুর মাখান। এরপর তাঁকে ভোগ নিবেদন করুন। তারপর জল অর্পণ করে হনুমান চালিসা বা বজরং বাণ পাঠ করুন। সর্বশেষে আরতি করুন।