Astro Tips: পুজোয় হওয়া হোম-যজ্ঞের ভস্ম এভাবেও ব্যবহার করা যায়! উপায় দেখে নিন
পুজোর পর হোম-যজ্ঞের ছাই এভাবে ব্যবহার করলে, তা নানান ভাবে উপকার দেয়, বলছে বাস্তুশাস্ত্র। রইল ৫ টিপস।
হিন্দু ধর্মে হোম যজ্ঞ একটি পবিত্র অনুষ্ঠান। হোম কুণ্ডে আগুন জ্বালিয়ে মন্ত্র দিয়ে সেখানে বহু সানগ্রী অর্পণ করা হয়। হোমের পরে অবশিষ্ট ছাই অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়, কারণ এটি অগ্নি দেবতা এবং উপাসনার শক্তি দ্বারা উঠে আসে।

হোমের পর এই ভস্ম বা ছাই নিক্ষেপ করা বা অপবিত্র করা অশুভ বলে মনে করা হয়। শাস্ত্র ও জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, হোমের ছাইয়ের সঠিক ব্যবহার বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করে, অশুভ দৃষ্টি দূর করে এবং স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে উপকার করে।
জেনে নেওয়া যাক হোমের ভস্মের কিছু ব্যবহার সম্পর্কে। হোমের ছাই প্রথমে কপালে তিলক হিসাবে প্রয়োগ করার রীতি প্রচলিত রয়েছে। এর তিলক প্রয়োগ মনকে শান্ত রাখে, অশুভ দৃষ্টি দূর করে এবং ইতিবাচক শক্তি বাড়ায়। এমনই বিশ্বাস রয়েছে শাস্ত্রে। এই ভস্ম দি.য়ে পুরুষরা তিনটি অনুভূমিক রেখা রাখতে পারেন কপালে এবং মহিলারা একটি বিন্দু আকারে রাখতে পারেন। প্রতিদিন হোমের ছাইয়ের তিলক প্রয়োগ করলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং নেতিবাচক শক্তিকে কাছাকাছি নিয়ে আসে না, বলে বিশ্বাস রয়েছে।
বলা হচ্ছে, হোমের ছাই ঘরের প্রধান দরজায় সামান্য ছিটিয়ে দিন অথবা লাল কাপড়ে বেঁধে দরজায় ঝুলিয়ে রাখার রীতিও রয়েছে। এটি অশুভ দৃষ্টি, শত্রুর বাধা এবং নেতিবাচক শক্তিকে ঘরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। বাস্তুশাস্ত্রে এটি খুব শুভ বলে মনে করা হয়। ঘরে বিভেদ বা অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দিলে ওই হোমের ছাই জলে মিশিয়ে দরজায় ছিটিয়ে দেওয়ার রীতির কথাও উঠে আসছে। এই হোমের ছাই বাড়িতে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
তুলসী গাছ বা অশ্বত্থ গাছের গোড়ায় হোমের ছাই ফেলার কথাও বলা হচ্ছে। তুলসী গাছ বা অশ্বত্থ গাছের গোড়ায় হোমের ছাই রাখা খুবই পুণ্য কাজ বলে বিশ্বাস করা হয়ে থাকে। তুলসী হলেন প্রিয় বিষ্ণু এবং অশ্বত্থ গাছে সমস্ত দেবতার বাসস্থান হিসাবে বিবেচিত হয়।
ঘরে তুলসী না থাকলে মন্দিরের তুলসীতে রেখে দেওয়া যায় ছাই। এটি হাবনের পুণ্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে এবং পরিবারকে স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করে। অনেকে ফসলী জমিতে পুজোর পবিত্র ছাই ছড়িয়ে দিয়ে থাকেন।
মনে করা হয় বাড়িতে হোম যজ্ঞ হলে তা সংসারে সুখ নিয়ে আসে। আসে ইতিবাচকতা। তবে বলা হচ্ছে, হোমের ছাই কখনওই অপবিত্র জায়গায় ফেলা শুভ নয়।
( এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে। ডিসক্লেইমার: আমরা এই নিবন্ধে প্রদত্ত তথ্যের সম্পূর্ণ সত্য এবং সঠিক বলে দাবি করি না। আরও বিশদ এবং আরও তথ্যের জন্য, প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।)
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


