Lakshmi Bandhan Upay: মা লক্ষ্মী কি আপনার প্রতি প্রসন্ন? কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন

Lakshmi Bandhan Upay: জ্যোতিষে এরকমই কিছু লক্ষণ এর কথা উল্লেখ রয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ মনোজিৎ দে সরকারের মতামত।

Published on: Feb 5, 2026, 10:54:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অর্থ প্রাপ্তির টোটকা, দেবী লক্ষ্মীকে সন্তুষ্ট করার জন্য সকলে বাড়িতে নানা ধরনের পূজা পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। মনে করা হয় যদি দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন তাহলে সেখানে কিছু শুভ লক্ষণও দেখা যায়। মা লক্ষ্মী ধনসম্পদ ও সৌভাগ্যের দেবী। হিন্দু ধর্মে মা লক্ষ্মীকে সম্পদের দেবী বলা হয়।

মা লক্ষ্মী কি আপনার প্রতি প্রসন্ন? কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন
মা লক্ষ্মী কি আপনার প্রতি প্রসন্ন? কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন

যাঁর প্রতি মা লক্ষ্মী সদয় হন, তাঁর বাড়িতে কখনও অর্থের সংকট দেখা দেয় না। যদি হঠাৎ করে বাড়িতে কালো পিঁপড়ের ঝাঁক আসতে শুরু করে এবং সেগুলি যদি খাবার খেতে শুরু করে তাহলে বুঝতে হবে মা লক্ষ্মী আপনার ঘরে প্রবেশ করেছেন। যদি বাড়ির বারান্দায় বা উঠোনের গাছে পায়রা বা যে কোনও পাখির বাসা লক্ষ্য করা যায় তবে জানতে হবে এটি অর্থাগমের শুভ লক্ষণ। কিন্তু হঠাৎ আপনি যদি কোনও কারণে সেই গাছটি কেটে ফেলেন, তাহলে তা আপনার জন্য অশুভ প্রমাণিত হতে পারে।

যদি বাড়ির কোনও জায়গায় তিনটি টিকটিকি জড়ো হতে দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে শীঘ্রই ঘরে মা লক্ষ্মীর আগমন হতে চলেছে। এটি সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষণ। দীপাবলির সময় তুলসী গাছের কাছে টিকটিকি দেখাও খুব শুভ। কিন্তু তুলসী গাছের কাছে যদি অনেক বেশি টিকটিকি দেখা যায়, তাহলে তার ফলও উল্টে যেতে পারে।

কখনো যদি আপনার ডান হাতের তালুতে ক্রমাগত চুলকানি হয়, তবে তার স্পষ্ট অর্থ হল খুব শীঘ্রই আপনি ঋণ দেওয়া টাকা ফেরত পেতে চলেছেন। কখনো যদি স্বপ্নে মন্দির, সিন্দুক,ঝাড়ু, পেঁচা, শঙ্খ, টিকটিকি, সাপ বা পদ্ম ফুল দেখেন, তাহলে বুঝবেন আপনার অর্থভাগ্য পরিবর্তন হতে চলেছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে যদি শঙ্খের ধ্বনি শুনতে পান তাহলে সেটাও ঘরে মা লক্ষ্মীর আগমনের লক্ষণ। ধনতেরাসের সময় অনেক মানুষ নতুন ঝাড়ু কিনে থাকেন, কারণ মনে করা হয় ঝাড়ু অশুভ শক্তিকে দূর করতে সাহায্য করে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More