Jagadhatri Puja 2025: জগদ্ধাত্রী পুজো ২০২৫-এ ৩০ না ৩১ অক্টোবর? কবে নবমী তিথি? জানুন পঞ্জিকামত

Jagadhatri Puja 2025 Date Timings: জগদ্ধাত্রী পুজো ৩০ অক্টোবর না ৩১ অক্টোবর? জেনে নিন এই পুজোর নবমী তিথি কবে পড়েছে।

Published on: Oct 24, 2025, 15:02:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জগদ্ধাত্রী পুজো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি চন্দননগরের আলোর রোশনাই এবং কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিমার জন্য বিখ্যাত, যা বাঙালি সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মা জগদ্ধাত্রী দেবী দুর্গার অপর একটি রূপ। সারা বাংলাতেই শ্যামাপুজো, ভাইফোঁটা মিটে গেলে শুরু হয় জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি। সাধারণত দুর্গাপুজো এবং কালীপুজোর পরে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের নবমীতে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই দেবীকে 'জগতের ধাত্রী' বা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধারণকর্ত্রী রূপে পুজো করা হয়।

জগদ্ধাত্রী পুজো ৩০ না ৩১ অক্টোবর?
জগদ্ধাত্রী পুজো ৩০ না ৩১ অক্টোবর?

জগদ্ধাত্রী পুজোর বিশেষ দিন

যদিও চন্দননগরে সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত চার দিন ধরে পুজো চলে, কিন্তু কৃষ্ণনগর-সহ অনেক জায়গাতেই মূলত নবমীর দিনেই প্রধান পুজো সম্পন্ন হয়। এই দিনই সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীর পুজো একসাথে করা হয়।

২০২৫ সালে জগদ্ধাত্রী পুজো অক্টোবর মাসের শেষ দিনে পড়ছে। কিন্তু তিথি শুরু হচ্ছে তার আগের দিন থেকে। জেনে নেওয়া যাক, পুজোর তিথি ও শুভ সময়।

আরও পড়ুন - HT Bangla Exclusive: বড়মা সবার না সেলেবদের? কেন এই বছর এত ভোগান্তি পুণ্যার্থীদের? খোঁজ নিল HT বাংলা

আরও পড়ুন - Bhai Phota Shubho Mahurat: ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় সারাদিনে ৫ শুভ মুহূর্ত! দুপুরেই রাহুকাল, দীর্ঘায়ু কামনার্থে কখন ফোঁটা দেবেন?

২০২৫ সালের জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী তিথি ও ক্ষণ

নবমী তিথি শুরু: ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০:০৬ মিনিট থেকে।

নবমী তিথি শেষ: ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, শুক্রবার, সকাল ১০:০৫ মিনিট পর্যন্ত।

প্রধানত নবমীর পুজো: ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, শুক্রবার। এই দিনটিকে সাধারণত 'জগদ্ধাত্রী পুজো হিসাবে গণ্য করা হয় এবং অধিকাংশ জায়গায় জাঁকজমকপূর্ণ পুজো ও উৎসব এই দিনেই হয়।

কখন অঞ্জলি নবমীতে?

তবে, নবমীর এই শুভ তিথিতে কখন পুষ্পাঞ্জলি বা অন্যান্য পুজো হবে, তার সঠিক সময় স্থানীয় পঞ্জিকা ও পুজোর রীতিনীতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত সকালে পূর্বাহ্ন পুজো ও মধ্যাহ্ন পুজো সম্পন্ন হয় এবং সন্ধ্যায় আরতি ও প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে পুজো শেষ হয়। দশমীর দিনে সকালে দর্পণ বিসর্জন ও সন্ধ্যায় প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়।