Kartik Purnima 2025 Rituals: দেবতাদের আশীর্বাদে সম্পদ হবে দ্বিগুণ, কার্তিক পূর্ণিমায় কড়ি দিয়ে করুন এই কাজ
Kartik Purnima 2025 Cori Rituals: দেবতাদের আশীর্বাদে সম্পদ দ্বিগুণ করতে সোনার কড়ি দিয়ে করুন একটিমাত্র কাজ। কার্তিক পূর্ণিমার দিন এই বিশেষ রীতিই ফেরাবে কপাল।
কার্তিক পূর্ণিমা হল সেই বিশেষ তিথি, যখন স্বয়ং দেবতারা পৃথিবীতে দীপাবলি উদযাপন করতে আসেন বলে মনে করা হয়। এই দিনে মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর পুজো করলে অর্থ-সম্পদ বহুগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র ও শাস্ত্র মতে কিছু বিশেষ টোটকা রয়েছে, যা এই দিনে নিষ্ঠাভরে পালন করলে আর্থিক সমৃদ্ধির পথ খুলে যায়।

কী কী করণীয় এই বিশেষ তিথিতে?
১. হলুদ কড়ি ও লক্ষ্মীর মন্ত্র: কার্তিক পূর্ণিমার রাতে মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর যথাযথ পুজো করুন। পুজোর সময় দেবী লক্ষ্মীকে হলুদ রঙের কড়ি নিবেদন করুন। কড়িকে লক্ষ্মীর খুব প্রিয় বলে মনে করা হয়। পুজো শেষে পরের দিন সকালে এই কড়িগুলো একটি লাল কাপড়ে ভালো করে মুড়ে নিন। এরপর সেটি আপনার টাকা রাখার স্থানে রেখে দিন। বিশ্বাস করা হয়, এই টোটকা পালনে মা লক্ষ্মী সেই স্থানে স্থায়িত্ব লাভ করেন এবং অর্থ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
২. অশ্বত্থ গাছের প্রদীপ: কার্তিক পূর্ণিমার সন্ধ্যায় স্নান সেরে পরিষ্কার কাপড় পরিধান করুন। এরপর একটি অশ্বত্থ গাছের নিচে ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান। ঘি-এর প্রদীপকে শুভ শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রদীপ জ্বালানোর সময় মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর নাম জপ করুন। এই কাজটি আর্থিক সমস্যা দূর করে এবং সম্পদ বৃদ্ধির পথ সুগম করে।
৩. সত্যনারায়ণের ব্রতকথা পাঠ: এই পূর্ণিমা তিথিতে ঘরে ভগবান সত্যনারায়ণের ব্রতকথা পাঠ করা বা শ্রবণ করা অত্যন্ত শুভ। সত্যনারায়ণের ব্রতকথা পাঠ করলে ঘরে সুখ-শান্তি বজায় থাকে এবং অর্থ উপার্জনে আসা সকল বাধা দূর হয়। ব্রতকথা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা উচিত।
৪. চন্দ্র পুজো ও অর্ঘ্য নিবেদন: কার্তিক পূর্ণিমার রাতে চাঁদ যখন পূর্ণ রূপে উদিত হয়, তখন একটি পাত্রে দুধ, জল, চিনি এবং সাদা ফুল মিশিয়ে চন্দ্র দেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করুন। এই অর্ঘ্য চন্দ্র দোষ দূর করে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
৫. দান ও ধর্মীয় কাজ: এই দিনে সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব-দুস্থদের অন্ন, বস্ত্র বা কম্বল দান করা উচিত। মনে করা হয়, কার্তিক পূর্ণিমার দিনে করা দান দশটি যজ্ঞের সমান ফল দেয়, যা আপনার ভাগ্যকে শক্তিশালী করে এবং ধনসম্পদকে আকর্ষিত করে।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

