Kaushiki Amavasya 2026: কৌশিকী অমাবস্যা ২০২৬র তিথি কি ১০ নাকি ১১ সেপ্টেম্বর? দেখে নিন সময়কাল
২০২৬ কৌশিকী অমাবস্যা ঘিরে তারাপীঠে আয়োজিত হয় বিশেষ উৎসব।
সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে একাধিক উৎসব, পার্বন রয়েছে। ইতিমধ্যেই পার হয়েছে জন্মাষ্টমী উৎসব। এরপর রয়েছে গণেশ চতুর্থী উৎসব। তবে গণপতির পুজোর আগে, রয়েছে অমাবস্যা। ভাদ্র মাসের এই অমাবস্যা ঘিরে হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন মান্যতা রয়েছে। ভাদ্র মাসের এই অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা হিসাবে প্রসিদ্ধ। এই অমাবস্যার তিথি কবে পড়ছে দেখা যাক।

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সালে, বৃহস্পতিবার এই কৌশিকী অমাবস্যার তিথি শুরু হবে। অমাবস্যা তিথি শুরু হবে ওই দিন সকাল ১০টা ১১ মিনিটে এবং শেষ হবে পরের দিন অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে। তাই উদয়া তিথি হিসাবে ধরলে, ১০ সেপ্টেম্বরই কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান দিন হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলত, কৌশিকী অমাবস্যা হবে বৃহস্পতিবার।
পৌরাণিক কাহিনী বলে, একটা সময় শুম্ভ, নিশুম্ভের দাপটে অত্যিষ্ট হয়ে ওঠেন মানুষ। ব্রহ্মার বরে শুম্ভ ও নিশুম্ভ কেবল কোনো অযোনিসম্ভূতা নারীর (যিনি মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম নেননি) হাতেই বধ হতে পারত। সেই বর অনুসারে, মানস সরোবরে মহাদেবী স্নানের পর তাঁর গাত্রবর্ণ পরিত্যাগ করেন। তপস্যার পর স্নান করতেই দেবীর গায়ের সমস্ত কালো কোষ (কোষ বা 'কোশ') ঝরে যায় এবং তিনি দীপ্তিময়ী রূপ ধারণ করেন। কোষ ঝরে পড়ার ফলে তিনি অযোনিসম্ভূতা নারী হন। অন্যদিকে, এর আগে, তাঁর কোষের কৃষ্ণ বর্ণের কারণে, মহাদেব তাঁকে কালিকা বলে সম্বোধন করতেন। কোষ ঝরে যেতেই দেবী কৌশিকী রূপ ধারণ করলেন। যেহেতু তাঁর জন্ম কোনো মাতৃগর্ভ থেকে হয়নি, তাই ভাদ্র মাসের এই অমাবস্যা তিথিতে তিনিই মহাশক্তিশালী শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করে ত্রিলোক রক্ষা করেন। সেই থেকেই এই অমাবস্যা তিথিকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে কৌশিকী অমাবস্যা হিসাবে পালন করা হয়। এদিকে, তারাপীঠ মহাশ্মশানে কৌশিকী অমাবস্যার কাহিনী মূলত মহাসাধক বামাক্ষ্যাপার সিদ্ধিলাভের সঙ্গে জড়িত। ফলত, এই তিথি অনুসারে তারাপীঠে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয় প্রতিবছর।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


