Kojagori Lakshmi Puja 2026: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ২০২৬ র সময় পূর্ণিমা কবে পড়ছে! পঞ্জিকামতে তিথি দেখে নিন
আসছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ২০২৬।
দুর্গাপুজো শেষ হতেই দেবীর জ্যেষ্ঠ্য কন্যা লক্ষ্মীদেবীর পুজোর তোড়জোড় শুরু হয়। আসন্ন কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে দেবীর পুজো সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সালের কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে বাঙালির ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজো আয়োজিত হতে চলেছে। এই পুজোর তিথি সম্পর্কে রয়েছে কৌতূহল। মূলত, 'কে জাগরী' শব্দ বন্ধনী থেকে কোজাগরী কথাটি এসেছে। এই শব্দ বন্ধনীর অর্থ হল, ‘কে জেগে আছ’। দেবীর পুজোয় রাতভর জেগে থেকে পুজো পালিত হয়। দুর্গাপুজোর পর বাঙালির ঘরে প্রথম পার্বন হয় এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। দেখে নেওয়া যাক, এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর তিথি, ২০২৬ সালে কবে পড়ছে।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে, ২০২৬ সালের কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বাংলা– ৮ কার্তিক, রবিবার পড়ছে। দিনটি, ইংরেজি– ২৫ অক্টোবর পড়ছে। কোজাগরী পূর্ণিমার তিথি রবিবার, ২৫ অক্টোবর, সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শুরু হয়ে যাবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা– ৯ কার্তিক, সোমবার। ইংরেজি মতে দিনটি, ৬ অক্টোবর, সোমবার পড়ছে। সোমবার তিথি শেষ হবে,সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে।
কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর তিথি নিয়ে গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা বলছে, বাংলা– ৭ কার্তিক, রবিবার। তিথি শুরু হবে ইংরেজি– ২৫ অক্টোবর। তিথি শুরুর সময়কাল, সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। পূর্ণিমা তিথি শেষ হবে, বাংলা, ৮ কার্তিক, সোমবার। এই তিথি ইংরেজি মতে পড়ছে ২৬ অক্টোবর, সোমবার। তিথি শেষের সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ভোগ ঘিরে রয়েছে কিছু নিয়ম। এই দিনে দেবীকে চিঁড়ে আর নারকেলের ভোগ দেওয়ার রীতি রয়েছে। নতুন প্রতিমা বাড়িতে প্রবেশ করানোর সময় অবশ্যই উলুধ্বনি দেওয়ার রীতি রয়েছে। এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে উলুধ্বনি দিয়ে পুজোর রীতি রয়েছে। এই দিনে মায়ের ভোগে পায়েস রাখার নিয়ম রয়েছে। এই দিনে লক্ষ্মীর পাঁচালি অবশ্যই পাঠ করা হয়। টোটকা অনুযায়ী বলা হচ্ছে, এই দিনে কাউকে কোনও জিনিস ধার দেবেনও না, আর কারোর থেকে কিছু ধার নেবেনও না।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


