সরস্বতী পুজো ২০২৬র আগে গণেশ পুজোর বিশেষ তিথি! ২২ জানুয়ারি কতক্ষণ থাকবে বিনায়ক চতুর্থীর সময়কাল?
মাঘ মাসের বিনায়ক চতুর্থীর সময়কাল দেখে নিন।
আজ সরস্বতী পুজোর আগে পড়ে গিয়েছে মাঘ মাসের গণেশ পুজোর বিশেষ তিথি। এই পুজোকে মাঘ মাসের বিনায়ক চতুর্থী বা বরদা চতুর্থীও বলা হয়। ২০২৬ সালে গণপতি পুজোর এই বিশেষ দিনটি উদয়া তিথি অনুসারে পালিত হবে ২২ জানুয়ারি। সাধারণত যে কোনও শুভ কাজের শুরুতে হিন্দু ধর্মে গণপতি পুজোর রীতি পালিত রয়েছে। দেবকৃপায় ঘরে, সংসারে, জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ফেরে বলে মনে করা হয়। আর তার জেরেই দেবতা গণেশের পুজো আগে করা হয়।

মাঘ মাসে বসন্ত পঞ্চমীর ঠিক আগে রয়েছে দেবতা গণেশের পুজো। বাগদেবীর আরাধানার আগে, দেবতা গণপতির পুজোর রীতি অনেক জায়গাতেই রয়েছে। এই তিথি চলতি বছরে বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে। বুধবারকে অনেকেই মনে করেন দেবতা গণেশের পুজোর বার। তবে পুজোর দিন হিসাবে ২২ জানুয়ারিকেই ধরা হচ্ছে। মাঘ মাসের এই বিনায়ক চতুর্থীর তিথি কখন পড়ছে, আর তা কতক্ষণ থাকবে, দেখে নিন।
বিশুদ্ধ পঞ্জিকামতে, মাঘের বিনায়ক চতুর্থীর তিথি, ২০২৬ সালে ২১ জানুয়ারি, বুধবার পড়ছে। ইংরেজিতে এই দিনটি ২১ জানুয়ারি। এই দিন রাত ২টো ৪৯ মিনিটে তিথি শুরু। চতুর্থী তিথি শেষ ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার। সেদিন রাত ২টো ২৯ মিনিটে তিথি শেষ। অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকামতে, এই তিথি শুরু হবে, বুধবার ২১ জানুয়ারি ৭ মাঘ। এদিন রাত ২টো ২১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে তিথি শুরু হবে। গণেশ পুজোর এই বিশেষ চতুর্থী তিথি শেষ হবে, ২২ জানুয়ারি। সেদিন রাত ১টা ৩৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে তিথি শেষ হবে।
গণেশ মূর্তি পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে রাখা উচিত। দক্ষিণ দিক এড়িয়ে চলা শুভ বলে মনে করা হয়। বাড়ির প্রবেশদ্বারের কাছে বা নির্দিষ্ট পূজার ঘরে রাখা শুভ। গণেশ মূর্তি সর্বদা কোনও বেদীতে রাখা শুভ বলে মনে করা হয়। যে গণেশ মূর্তির শুঁড় বাম দিকে থাকে, সেই গণেশ মূর্তিই ঘরে নিয়ে আসা শুভ। এছাড়াও বসা বা হেলান দেওয়া গণেশ মূর্তি ঘরে রাখা খুবই শুভ। সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আকর্ষণ করে। লাল বা সিঁদুর রঙের গণেশও শুভ এবং উন্নয়ন ও সাফল্যের প্রতীক।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


