নাগপঞ্চমী ২০২৬ আসন্ন সামনেই! আসছে মনসাপুজোর সময়, রইল তিথি

মনসাদেবীকে পুজো করলে বহু ধরনের প্রাপ্তি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। হিন্দু ধর্মে সর্পদেবী বা নাগমাতা মা মনসার পূজা করলে প্রধানত সাপের ভয় ও বিষের হাত থেকে রক্ষা, পরিবারের শান্তি, এবং নানা ধরনের লৌকিক ও আধ্যাত্মিক কল্যাণ লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

Published on: Aug 13, 2026, 16:00:29 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চলছে শ্রাবণ মাস। ১৭ আগস্ট পর্যন্ত রয়েছে শ্রাবণ মাসের সময়কাল। এদিকে, এই আগস্ট মাসেই রয়েছে নাগপঞ্চমীর তিথি। এই নাগপঞ্চমী তিথিতেই হয়ে থাকে দেবী মনসার পুজো। নাগদেবী হিসাবে দেবীকে বিশেষভাবে পুজো করা হয় এই দিনে। বিশ্বাস করা হয়, এই নাগপঞ্চমী তিথিতে মহাদেব ও নাগদেবীকে পুজো করলে, বিশেষ ফল লাভ হয়। জীবনের বহু বাধা দূর হয়। এও বিশ্বাস করা হয় যে, নাগপঞ্চমীতে বিশেষ আচার অনুষ্ঠান পালন করলে কালসর্প দোষের প্রভাবও কমে যায়। বাংলার বিভিন্ন জায়গায় শ্রাবণ সংক্রান্তিতে, ভাদ্র সংক্রান্তিতে বা আশ্বিন সংক্রান্তিতে এই পুজো করা হয়। এমন দিনে পদ্মপূরাণ পাঠেরও আয়োজন করা হয়।

২০২৬ নাগপঞ্চমী রয়েছে আগস্ট মাসে, দেখে নিন তারিখ, তিথি
২০২৬ নাগপঞ্চমী রয়েছে আগস্ট মাসে, দেখে নিন তারিখ, তিথি

হিন্দু পূরাণ অনুসারে, শ্রাবণের শুক্লপক্ষের পঞ্চম দিনে নাগপঞ্চমী পালিত হয়। শ্রাবণের শুক্লাপঞ্চমী ১৬ আগস্ট ২০২৬ সালের বিকেল ৪ টে ৫২ মিনিটে শুরু হবে। আর তিথি শেষ হবে ১৭ আগস্ট বিকেল ৫ টায়। উদয়া তিথি অনুসারে, নাগপঞ্চমী ১৭ আগস্ট পালিত হবে। বহু জায়গায় এই দিনে মনসাদেবীর পুজোও পালিত হবে। এই তিথির শুভ সময়, ভোর ৬ টা ০৪ মিনিট থেকে সকাল ৮ টা ৩৯ মিনিট পর্যন্ত রয়েছে।

মনসাদেবীকে পুজো করলে বহু ধরনের প্রাপ্তি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। হিন্দু ধর্মে সর্পদেবী বা নাগমাতা মা মনসার পূজা করলে প্রধানত সাপের ভয় ও বিষের হাত থেকে রক্ষা, পরিবারের শান্তি, এবং নানা ধরনের লৌকিক ও আধ্যাত্মিক কল্যাণ লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বাড়লে ভক্তরা তাঁকে স্মরণ করেন। অনেক পূরাণ ও লোককথা অনুযায়ী, সন্তানহীন দম্পতিরা সন্তান লাভের আশায় এই পূজা করেন। ঘরে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতেও এই পুজো করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে মনসা দেবীর কৃপায় ঘরের নেতিবাচক শক্তি বা বাস্তুদোষ কেটে যায়। ধন-সম্পদ ও সামগ্রিক মঙ্গল লাভ হয় এই মনসা পুজোর হাত ধরে, এমনই বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।

মনসাদেবীর পুজোয় দুধ, কলা আবশ্যিক। এছাড়াও পবিত্র জলের ঘট বা কলসি এবং আমপল্লবসিজ গাছ বা মনসা গাছের ডালদুর্বা, বেলপাতা, লাল ফুল ও ধূপ-দীপনৈবেদ্য হিসেবে ফল, মিষ্টি ও আতপ চাল প্রয়োজন হয় পুজোয়। এছাড়াও সিজ গাছের কাঁটাযুক্ত গাছ ব্যবহার করা হয়।

(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More