Surya Kripa On Sunday: রবিবারে সূর্যদেবের কৃপা পেতে চান? খাবারে আনুন এই বদল, দেখে নিন শাস্ত্রমত

Surya Kripa On Sunday Food Rituals: রবিবার সূর্যদেবের বার। এই দিনে সূর্যদেবের কৃপা পেতে হলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। কোন কোন খাবার এই দিন খাবেন না?

Published on: Nov 8, 2025, 16:04:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, সপ্তাহের প্রতিটি দিনের সম্পর্ক কোনও না কোনও গ্রহের সঙ্গে যুক্ত। সেই অনুযায়ী, রবিবার দিনটি সরাসরি ভগবান সূর্যদেব-এর জন্য উৎসর্গীকৃত। এই দিনে সূর্যদেবের পূজা এবং কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে জীবনে ইতিবাচক ভারসাম্য আসে এবং কোষ্ঠীতে সূর্যের অবস্থান মজবুত হয়। জ্যোতিষ মতে, সূর্য গ্রহকে শক্তি, সম্মান, সুস্বাস্থ্য এবং সরকারি কাজের কারক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাই রবিবারে কিছু খাদ্য পরিহার করা উচিত, কারণ ভুল খাদ্য গ্রহণের ফলে সূর্য গ্রহ দুর্বল হয়ে জীবনের ছন্দ নষ্ট করতে পারে।

রবিবারে সূর্যদেবের কৃপা পেতে চান?
রবিবারে সূর্যদেবের কৃপা পেতে চান?

যেসব খাবার এড়িয়ে চলা আবশ্যক

রবিবার সূর্যদেবের দিন হওয়ায় জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী কিছু জিনিস খাওয়া থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকা উচিত। নিয়ম অনুসারে, এই দিনে প্রধানত কালি উড়দ ডাল (বিউলির ডাল), লাল শাক, মসুর ডাল এবং লবণ সেবন করা উচিত নয়।

এড়িয়ে চলুন তামসিক খাদ্য

এর পাশাপাশি, রবিবারে যেকোনও ধরনের তামসিক খাদ্য (যেমন – মাছ, মাংস, ডিম বা মদ্যপান) এড়িয়ে চলা অত্যাবশ্যক। সূর্যদেবের কৃপা বজায় রাখতে টক বা খাট্টা জাতীয় খাবার, যেমন—টক দই বা টক ফল খাওয়া থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। জ্যোতিষীদের মতে, এই নিয়মগুলি না মানলে কোষ্ঠীতে সূর্য দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে জীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়, হাতে আসা কাজ বিগড়ে যায় এবং এর ফলে পিতৃ দোষ লাগার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

সূর্যকে শক্তিশালী করার উপায় ও দান

রবিবার কিছু জিনিস দান করার মাধ্যমেও সূর্যকে শক্তিশালী করা যায়। সূর্যদেবকে প্রসন্ন করে জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আনতে এই দিনে কিছু বস্তু দান করা অত্যন্ত শুভ। এই দিন লাল রঙের কাপড়, গুড় (Jaggery) এবং গম দান করা উচিত। এছাড়াও, লাল চন্দন ও ফল দান করলে সুখ-সমৃদ্ধি আসে এবং আর্থিক স্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হতে শুরু করে। জীবনের জটিলতা দূর করে সুগম পথে চলতে এবং সূর্যদেবের কৃপা পেতে রবিবারের এই সহজ খাদ্য ও দান সংক্রান্ত নিয়মগুলি মেনে চলা উচিত।

পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।