Utpanna Ekadashi 2025 Tithi: ১৫ না ১৬ নভেম্বর, উৎপন্ন একাদশী কবে? কখন ব্রতের সময়? জানুন পঞ্জিকামত
Utpanna Ekadashi 2025 Tithi Time: ১৫ না ১৬ নভেম্বর, উৎপন্ন একাদশী এই বছর কবে পালন হচ্ছে? কখন ব্রত পালন হবে আর কখন পারণের সময়? জেনে নিন পঞ্জিকামত।
হিন্দু ধর্মে প্রতি মাসে দুটি করে মোট ২৪টি একাদশী তিথি রয়েছে। এর মধ্যে উৎপন্না একাদশী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটিই সেই দিন, যেদিন দেবী একাদশীর জন্ম হয়েছিল এবং এই ব্রত পালনের মাধ্যমেই একাদশী ব্রত পালনের সূচনা হয়। এটি মার্গশীর্ষ (অগ্রহায়ণ) মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে পালিত হয়।
উৎপন্ন একাদশী কবে?
২০২৫ সালে উৎপন্ন একাদশী তিথি নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা থাকলেও, উদয়া তিথি (যে তারিখে সূর্যোদয় হয়) অনুসারে সঠিক তারিখটি হলো ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, শনিবার। পঞ্জিকা মতে, একাদশী তিথি শুরু হচ্ছে ১৫ নভেম্বর, ২০২৫-এর রাত ১২টা ৪৯ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে ১৬ নভেম্বর, ২০২৫-এর রাত ২টা ৩৭ মিনিটে। কিন্তু যেহেতু ১৫ নভেম্বর তারিখেই একাদশী তিথিতে সূর্যোদয় হচ্ছে, তাই এই ব্রত ১৫ নভেম্বর তারিখে পালন করা হবে।
পারণের সময় (ব্রত ভঙ্গের সময়): ১৬ নভেম্বর, ২০২৫-এর দুপুর ১:১০ থেকে দুপুর ৩:১৮-এর মধ্যে।
ব্রত পালনের নিয়মাবলী
উৎপন্না একাদশী ব্রত পালনে ভগবান বিষ্ণুর কৃপা ও সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি লাভ করা যায় বলে মনে করা হয়। এটি একটি শুদ্ধ ও কঠোর ব্রত।
সঙ্কল্প গ্রহণ: ব্রত পালনের আগের দিন (চতুর্দশী তিথিতে) একবার নিরামিষ ভোজন করা উচিত। একাদশীর দিন সূর্যোদয়ের আগে স্নান করে পূজার স্থানে ভগবান বিষ্ণুর প্রতিমা স্থাপন করে ব্রত পালনের সঙ্কল্প নিতে হয়।
পূজা ও উপবাস: এই দিনে সারাদিন উপবাস রাখতে হয়। ভগবান বিষ্ণু ও দেবী একাদশীর পূজা করা হয় এবং প্রসাদ হিসেবে হলুদ ফুল, ফল এবং তুলসী পাতা নিবেদন করা হয়।
নিষিদ্ধ খাদ্য: এই দিনে সম্পূর্ণভাবে চাল, ডাল ও অন্য কোনো শস্যদানা খাওয়া বারণ। এছাড়া, পেঁয়াজ, রসুন ও তামসিক খাদ্য পরিহার করা আবশ্যিক। ফল, দুধ বা জল গ্রহণ করে উপবাস করা যায়।
জাগরণ ও মন্ত্র: সারাদিন 'ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়' মন্ত্র জপ করা বা বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করা শুভ। রাতে বিষ্ণু মন্দিরে বা বাড়িতে জাগরণ করা হয়।
পারণ (ব্রত ভঙ্গ): একাদশীর পরদিন অর্থাৎ দ্বাদশী তিথিতে শুভ সময়ে (পারণের সময়) উপবাস ভঙ্গ করতে হয়। পারণের আগে ব্রাহ্মণ বা অভাবী মানুষকে অন্ন, বস্ত্র বা ফল দান করা উচিত।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

