Vastu Tips: রাতের ঘুম কেড়ে নেয় দুঃস্বপ্ন? বালিশের নিচে এই বীজ রাখলেই পালাবে সব অশুভ শক্তি, জানুন বাস্তুমত

Vastu Tips For Bad Dreams: অনেক সময় দুঃস্বপ্ন রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। বালিশের নিচে তখন এই রাখতে এই বীজ। এতে সমস্ত অশুভ শক্তি দূরে থাকবে আপনার থেকে।

Published on: Oct 31, 2025, 12:00:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দুঃস্বপ্ন বা খারাপ স্বপ্ন অনেকেই দেখে থাকেন। এর জন্য সারা রাতের ঘুমও নষ্ট হয় অনেকের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাস্তুশাস্ত্রে বালিশের নিচে কিছু বীজ রাখার কথা বলা হয়েছে। এই অভ্যাস মূলত নেতিবাচক শক্তি দূর করে মনকে শান্ত রাখে।

রাতের ঘুম কেড়ে নেয় দুঃস্বপ্ন?
রাতের ঘুম কেড়ে নেয় দুঃস্বপ্ন?

কোন কোন বীজ রাখতে পারেন বালিশের নিচে?

১. মৌরি বীজ - খারাপ স্বপ্ন দূর করার জন্য মৌরি বীজকে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং কার্যকরী বলে মনে করা হয়। বাস্তু মতে, মৌরি বীজ রাখলে রাহুর দোষ কমে যায়। রাহু গ্রহের অশুভ প্রভাবেই সাধারণত দুঃস্বপ্ন, ভয় এবং ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। সামান্য পরিমাণ মৌরি বীজ একটি পরিষ্কার, পাতলা কাপড়ে বা ছোট কাপড়ের পুঁটলিতে বেঁধে ঘুমানোর আগে বালিশের নিচে রেখে দিন। সকালে সেটিকে সরিয়ে ফেলতে পারেন।

আরও পড়ুন - Dev Uthani Ekadashi Dhruv Yog: দাম্পত্যে হারানো সুখ ফিরবে পুরোদমে! দেবোত্থানী একাদশীর ধ্রুব যোগে লাকি কারা?

আরও পড়ুন - Dev Uthani Ekadashi Ananda Yog: পকেট ভরবে সুখের দ্রব্যে! দেবোত্থানী একাদশীর আনন্দ যোগে কপাল খুলছে কাদের?

২. ছোট এলাচ - এলাচকেও ভালো ঘুমের জন্য খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। এলাচের সুগন্ধ মন ও মস্তিষ্ককে শান্ত করে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এলাচ রাখলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং এটি দেবী নিদ্রাকে (দেবী যিনি ঘুম দান করেন) আকর্ষণ করে। যারা রাতে ভয় পান বা ঘন ঘন চোখ খুলে যায়, তাদের জন্য এলাচ রাখা খুবই উপকারী। ৫-৬টি ছোট এলাচ একটি পরিষ্কার কাপড়ে মুড়ে বালিশের নিচে রাখুন। এলাচের মৃদু সুবাস আপনার ঘুমকে শান্ত করতে সাহায্য করবে।

৩. লবঙ্গ - বীজ না হলেও, মশলার মধ্যে লবঙ্গ নেতিবাচক শক্তি দূর করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। লবঙ্গের তীব্র গন্ধ দ্রুত নেতিবাচক শক্তিকে শোষণ করে দূর করে বলে মনে করা হয়। এটি মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে, ফলে দুঃস্বপ্ন কমে আসে। কয়েকটি (যেমন ৫, ৭ বা ৯টি) লবঙ্গ বালিশের নিচে বা মাথার কাছে রাখুন।

পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।