Vastu Tips: ঘর মোছার এই ভুলে সংসারে জাঁকিয়ে বসে নেতিবাচক শক্তি! জানুন সঠিক বাস্তুমত
Vastu Tips Of Cleaning Room: ঘর মোছার কিছু ভুলে সংসারে নেতিবাচক শক্তি জাঁকিয়ে বসতে পারে। এর ফলে উপকারের বদলে অপকার বেশি হয়। জেনে নিন ঘর মোছার সঠিক বাস্তুমত।
ঘর মোছার বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতার কাজ মনে হলেও, বাস্তুশাস্ত্রে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাস্তু মতে, ঘর মোছার সঠিক নিয়ম মেনে চললে বাড়ি থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আকৃষ্ট হয়।

ঘর মোছার সঠিক বাস্তু নিয়মাবলী
১. সঠিক সময়: দিনের বেলা ঘর মোছা সবচেয়ে শুভ। সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্তের আগে পর্যন্ত ঘর মোছা উচিত। সূর্যাস্তের পরে, অর্থাৎ সন্ধ্যায় বা রাতে ঘর মোছা একেবারেই উচিত নয়। বাস্তু মতে, সূর্যাস্তের পরে ঘর মুছলে বা ঝাঁট দিলে বাড়ির ধন-সম্পদ এবং ইতিবাচক শক্তি বেরিয়ে যায়।
২. জল ও লবণের ব্যবহার: ঘর মোছার জলে সামান্য সামুদ্রিক লবণ বা সাধারণ মোটা লবণ মিশিয়ে মোছা অত্যন্ত শুভ। সামুদ্রিক লবণকে নেতিবাচক শক্তি শোষণ করার জন্য খুব কার্যকর বলে মনে করা হয়। সপ্তাহে অন্তত একবার বা দুবার লবণ জল দিয়ে ঘর মুছলে বাস্তু দোষ দূর হয় এবং পরিবারে শান্তি বজায় থাকে। মোছার জল সবসময় পরিষ্কার হওয়া উচিত। নোংরা বা পুরোনো জল ব্যবহার করা উচিত নয়।
৩. দিক ও পদ্ধতি: ঘর মোছা সব সময় বাড়ির উত্তর-পূর্ব (ঈশান কোণ) দিক থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পশ্চিম (নৈঋত কোণ) দিকে শেষ করা উচিত। এটি ইতিবাচক শক্তিকে ঘরের মধ্যে সঞ্চালিত করতে সাহায্য করে। : মোছার শেষে যে নোংরা জলটুকু থাকে, তা সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত। নোংরা জল ঘরের ভেতরে বেশি সময় রাখা অশুভ।
কবে মোছা উচিত নয়?
বাস্তু মতে, বৃহস্পতিবার ঘর মোছা উচিত নয়। এই দিন ঘর মুছলে বা বিশেষ করে ঝাঁট দিলে লক্ষ্মী দেবীর কৃপা কমে যায় এবং আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। বৃহস্পতিবার মেঝে মোছা একান্তই জরুরি হলে, শুধু পরিষ্কার জল ব্যবহার করা যেতে পারে, লবণ বা ডিটারজেন্ট মেশানো উচিত নয়। এই সহজ নিয়মগুলি মেনে ঘর মুছলে আপনার বাড়িতে কেবল পরিচ্ছন্নতাই আসবে না, বরং এক ইতিবাচক, শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধির পরিবেশ বজায় থাকবে।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

