Vastu Tips: বাড়ির পশ্চিম দিকে ভুলেও রাখবেন না এই ৫ ধরনের বস্তু, শনির কোপে নেমে আসবে দুর্ভোগ
Vastu Tips To Appease Shani Dev: বাড়ির পশ্চিমদিক শনিদেবের শাসিত। এই বিশেষ দিকে পাঁচটি জিনিস ভুলেও রাখা উচিত নয়। এতে সংসারে দুর্ভোগ নেমে আসে।
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির পশ্চিম দিকটি স্বয়ং ন্যায় ও কর্মফলদাতা শনিদেবের দ্বারা শাসিত হয়। শনিদেবকে তুষ্ট রাখলে জীবনে স্থিতিশীলতা, সাফল্য এবং সমৃদ্ধি আসে। কিন্তু এই দিকে কিছু ভুল জিনিস বা কাজ করলে শনিদেবের দৃষ্টি অশুভ হয়ে ওঠে, যার ফলে জীবনে নেমে আসতে পারে নানা বাধা ও দুর্ভাগ্য।

কোন কোন জিনিস রাখবেন না পশ্চিমে?
১. আবর্জনা ও বিশৃঙ্খলা - পশ্চিম দিকটি সব সময় পরিষ্কার ও সুশৃঙ্খল রাখা আবশ্যিক। এই দিকে কোনো প্রকার আবর্জনা, নোংরা বা অকেজো জিনিস রাখা শনিদেবকে ক্রুদ্ধ করে। ভাঙা আসবাবপত্র, পুরোনো ছেঁড়া জিনিসপত্র, বা আবর্জনার পাত্র (ডাস্টবিন) পশ্চিম দিকে রাখা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এতে শনি দোষ বাড়ে, যা জীবন থেকে সৌভাগ্য এবং অগ্রগতিকে দূরে সরিয়ে দেয়।
২. জুতো রাখার তাক - জুতো রাখার তাক বা নোংরা ও কোঁচকানো কাপড় এই দিকে রাখলে নেতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয় এবং আর্থিক সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
৩. অনুপযুক্ত ঘর বা স্থান - পশ্চিম দিকে কিছু বিশেষ ধরনের ঘর বা স্থান তৈরি করা বাস্তু মতে অশুভ। এই দিকে মন্দিরের অবস্থান বা ধ্যান-যোগের স্থান পরিবারের প্রধান ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবনতি এবং সদস্যদের মধ্যে মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মন্দির সব সময় উত্তর, পূর্ব বা ঈশান কোণে রাখা উচিত।
৪. পশ্চিম দিকে রান্নাঘর - পশ্চিম দিকে রান্নাঘর থাকলে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ বাড়ে এবং পরিবারে বাজে খরচ অত্যধিক বৃদ্ধি পায়, যা আর্থিক সংকট ডেকে আনে। পশ্চিম দিকে স্বামী-স্ত্রীর বেডরুম দাম্পত্য সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ভুল বোঝাবুঝি ও কলহ বৃদ্ধি করতে পারে।
৫. ইলেকট্রনিক্স এবং ভাঙা জিনিস - ভাঙা বা অকেজো ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম, যেমন খারাপ ঘড়ি বা যন্ত্রপাতি এই দিকে জমিয়ে রাখলে কাজে বারবার বিপর্যয় ও ব্যর্থতা আসে। যদিও পশ্চিম দিক ভারী জিনিসের জন্য শুভ, কিন্তু অতিরিক্ত ভারী লোহার আলমারি বা সিন্দুক এই দিকে রাখলে আর্থিক বাধা ও স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

