Viswakarma pujo 2026: বিশ্বকর্মা পুজো ২০২৬ কি ১৭ নাকি ১৮ সেপ্টেম্বর? দেখে নিন পঞ্জিকামত
বিশ্বকর্মা পুজো মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি! ২০২৬ সালের বিশ্বকর্মা পুজো আসতে চলেছে। আকাশ জুড়ে এবার ঘুড়ির মেলার অপেক্ষা। প্রতি বছরই বিশ্বকর্মা পুজো সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখ নাগাদ হয়ে থাকে। কোনও কোনও বছর তা ১৮ সেপ্টেম্বরও হয়। চলতি বছরে ২০২৬ সালে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে।

১৮ সেপ্টেম্বর ,শুক্রবার পড়ছে ২০২৬ সালের বিশ্বকর্মা পুজো। উল্লেখ্য, দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজো কিম্বা, লক্ষ্মীপুজো, সরস্বতী পুজোর তিথি বদল হলেও বিশ্বকর্মা পুজোর তিথি ১৭ কিম্বা ১৮ সেপ্টেম্বরেই হয়ে থাকে সাধারণত। পঞ্জিকা অনুযায়ী, হিন্দু ধর্মের যাবতীয় যা পুজো, সবকিছুর তার তারিখ নির্ধারণ হয় চাঁদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। একমাত্র বিশ্বকর্মা পুজোর তিথি দেখা হয় সূর্যের অবস্থানের উপর। শাস্ত্রমত বলছে, ভাদ্র মাসের শেষ দিন বা ভাদ্রের সংক্রান্তির দিনে হয় বিশ্বকর্মা পুজো। ভাদ্র মাস আসলে বাংলা পঞ্জিকার পঞ্চম মাস। এই ৫ মাস মিলিয়ে প্রায় ১৫৬ দিন হয়। কিন্তু যদি কোনও মাস ২৯ দিন বা ৩২ দিন হয়, তখনই একমাত্র পুজো একদিন পিছিয়ে বা এগিয়ে যায়। পঞ্জিকামত অনুসারে, সূর্যের কন্যা রাশিতে প্রবেশ ঘটছে ১৭ সেপ্টেম্বর শেষ রাতে বা ১৮ সেপ্টেম্বর শুরুতে। তাই এই দিন অর্থাৎ ১৮ সেপ্টেম্বর হবে বিশ্বকর্মা পুজো।
ভাদ্র সংক্রান্তি ও অরন্ধন-
ভাদ্র সংক্রান্তির দিনে বাংলার বহু ঘরে অরন্ধন পালিত হয়। ভাদ্রে রান্না আশ্বিনে খাওয়া, এমন নিয়মই অরন্ধনের মূল প্রতিপাদ্য। মূলত মনসা পুজোর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবেই এই অরন্ধন মান্যতা পেয়ে এসেছে বঙ্গজীবনে। এই রীতি অনুযায়ী, বহু বাড়িতে, ভাদ্রে রান্না করা খাবার আশ্বিন মাসের প্রথম দিনে খাওয়ার রীতি রয়েছে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


