Vivah Panchami 2025: বিবাহ পঞ্চমী ২০২৫ সালে কবে, কখন? জানুন তিথি, শুভক্ষণ ও পুজো বিধি
Vivah Panchami 2025 Date And Timing: বিবাহ পঞ্চমী ২০২৫ সালে নভেম্বরের শেষ দিকে পালিত হতে চলেছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কবে পড়েছে এই বিশেষ তিথি ও শুভক্ষণ। জেনে নেওয়া যাক পুজো বিধিও।
বিবাহ পঞ্চমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন, যা শ্রী রামচন্দ্র ও মাতা সীতার বিবাহ বার্ষিকী হিসাবে পালিত হয়। এটি মূলত তাঁদের স্বর্গীয় মিলনের প্রতীক।

বিবাহ পঞ্চমী ২০২৫: তারিখ ও সময়
হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, প্রতি বছর অগ্রহায়ণ (বা মার্গশীর্ষ) মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়।
তারিখ: ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ (মঙ্গলবার)
পঞ্চমী তিথি শুরু: ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, রাত ০৯টা ২২ মিনিট
পঞ্চমী তিথি সমাপ্ত: ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, রাত ১০টা ৫৬ মিনিট
উদয়া তিথি অনুসারে, বিবাহ পঞ্চমী ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পালন করা হবে। এই দিনে শ্রী রাম এবং মাতা জানকীর পূজা করলে দাম্পত্য জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে এবং বিবাহে আসা বাধা দূর হয়।
বিবাহ পঞ্চমীর পূজা বিধি
বিবাহ পঞ্চমীর দিনে রাম ও সীতার বিবাহ অনুষ্ঠান বা পুজো সম্পন্ন করা হয়।
১. প্রস্তুতি: সকালে উঠে স্নান সেরে পরিষ্কার বস্ত্র পরিধান করুন। বাড়ির মন্দির বা পূজার স্থানে একটি কাঠের চৌকি (আসন) স্থাপন করুন এবং হলুদ বা লাল কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।
২. বিগ্রহ স্থাপন: শ্রী রাম ও মাতা সীতার মূর্তি অথবা ছবি চৌকির উপর প্রতিষ্ঠা করুন। যদি সম্ভব হয়, রাম দরবার অর্থাৎ রাম, সীতা, লক্ষ্মণ এবং হনুমানজির সম্মিলিত ছবিও রাখা যেতে পারে।
৩. সজ্জা ও উপাচার: রাম ও সীতাকে নতুন বস্ত্র ও অলঙ্কার দিয়ে সাজান। মাতা সীতাকে শৃঙ্গার সামগ্রী (সিঁদুর, চুড়ি, কাজল, মেহেন্দী ইত্যাদি) এবং রামচন্দ্রকে পৈতা ও বস্ত্র অর্পণ করুন। ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান এবং ফুল, ফল, অক্ষত (আস্ত চাল), দূর্বা ও মিষ্টি (ভোগ) নিবেদন করুন। ভোগে অবশ্যই তুলসী পাতা ব্যবহার করবেন।
৪. পূজা ও মন্ত্র জপ: প্রথমে গণেশ পূজা করুন, যাতে কোনো বাধা না আসে। এরপর রাম ও সীতার বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু করুন। "ওঁ জানকী বল্লভায় নমঃ" মন্ত্রটি কমপক্ষে ১০৮ বার জপ করুন। রামচরিতমানস থেকে সীতা-স্বয়ম্বর এবং বিবাহ প্রসংগের পাঠ করুন।
৫. বিবাহ সম্পন্ন: প্রতীকীভাবে শ্রী রাম এবং মাতা সীতার গ্রন্থিবন্ধন (কাপড়ের দ্বারা গাঁটছড়া বাঁধা) করুন। পুজো শেষে আরতি করুন এবং প্রসাদ বিতরণ করুন।
এই দিনে রাম-সীতার পুজো করলে শুধু বিবাহিত জীবনই নয়, অবিবাহিত ব্যক্তিরাও উপযুক্ত জীবনসঙ্গী লাভ করেন বলে বিশ্বাস করা হয়।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনার ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এখানে লেখা সব কথা আগামী দিনে সত্য প্রমাণিত হবে, এমন দাবি করা হচ্ছে না। জ্যোতিষশাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন বা কোনও সমস্যার সমাধানের জন্য পেশাদার জ্যোতিষীর সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
E-Paper

