115 TMC Councilors Resigned: পালাবদলের পরে এখনও পর্যন্ত ৭ পুরসভার ১১৫ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, কোথায় কত?
দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে উত্তর ২৪ পরগনা— বিভিন্ন জেলার পুর এলাকায় একের পর এক কাউন্সিলরের পদত্যাগে চাপ বাড়ছে বিরোধী দলের উপর। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সাতটি পুরসভা থেকে ১১৫ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর থেকেই রাজ্যের একাধিক পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলরররা গণইস্তফা দিতে শুরু করেছেন। এই পদত্যাগের হিড়িককে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে উত্তর ২৪ পরগনা— বিভিন্ন জেলার পুর এলাকায় একের পর এক কাউন্সিলরের পদত্যাগে চাপ বাড়ছে বিরোধী দলের উপর। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সাতটি পুরসভা থেকে ১১৫ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ডায়মন্ড হারবার পুরসভা। মোট ১৬টি আসনের এই পুরসভায় ৮ জন তৃণমূল কাউন্সিলর একসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পুরসভা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। ডায়মন্ড হারবারের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তমাল হালদার অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের উপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ছিল পুলিশের। এবং ওপর তলার নির্দেশ মেনেই পুলিশ সেই কাজ করত।
এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুরসভাতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভায় পুরপ্রধান-সহ ১৫ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছেন। গারুলিয়া পুরসভায় ২১ জনের মধ্যে ১৮ জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া হালিশহর পুরসভায় ১৬ জন, কাঁচরাপাড়ায় ১৪ জন এবং ভাটপাড়ায় ৩২ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কাঁথি পুরসভাতেও ১২ জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছেন।
এই ধারাবাহিক ইস্তফার জেরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে যে রাজ্যে কি তবে নতুন করে পুরভোটের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে? বিরোধীদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ফলাফলের প্রভাবই এখন পুরস্তরেও পড়তে শুরু করেছে। অন্যদিকে, মমতার দলের অন্দরে এই ইস্তফা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা। এই আবহে গতকালই কলকাতা লাগোয়া চারটি পুরসভার কাউন্সিলরদের ডেকে বৈঠক করেন মমতা। কাউন্সিলরদের তিনি পদত্যাগ না করার বার্তা দেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


