অসুস্থ কিশোরী, কারণ জানতেই হতবাক মা! পুলিশের জালে ৫ প্রতিবেশী নাবালক, হুলুস্থুল...

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিনের পর দিন নাবালিকার উপর নির্যাতন চলছিল। এমনকী কাউকে কিছু বললে আরও খারাপ অবস্থা করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

Published on: Feb 17, 2026, 23:52:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কসবার পর এবার বাগুইআটি। একইদিনে শহরে নারী নির্যাতনের জোড়া অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। স্কুল ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগে বাগুইআটিতে গ্রেফতার করা হল ৫ নাবালকে। অন্যদিকে, কসবাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই তিনজনকে পাকড়াও করেছে পুলিশ।

পুলিশের জালে ৫ প্রতিবেশী নাবালক
পুলিশের জালে ৫ প্রতিবেশী নাবালক

সূত্রের খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিল বাগুইআটির নির্যাতিতা নাবালিকা। তার অবস্থা দেখে পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। ১১ বছরের কিশোরীকে প্রশ্ন করা হলে অবশেষে নিজের উপর হওয়া অত্যাচারের কথা জানায় সে। এরপরই রবিবার ওই নাবালিকার মা বাগুইআটি থানায় গিয়ে প্রতিবেশী পাঁচ নাবালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দিনের দিন গ্রেফতার করা হয় ওই পাঁচ অভিযুক্ত কিশোরকে। তাদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নাবালকদের থানায় আটক করেনি পুলিশ। যেহেতু ধৃতদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ বছরের নীচে। সেহেতু গ্রেফতার করার পর তাদের একটি সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিধাননগর জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পেশ করা হয় অভিযুক্তদের। সেখানেই হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় পুলিশ। তারপর পাঠানো হয় হোমে।

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়েছে নাবালিকা। দিনের পর দিন তার উপর নির্যাতন চলছিল। এমনকী কাউকে কিছু বললে আরও খারাপ অবস্থা করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। পুলিশি সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধর্ষণ, অপরাধমূলক ভিত্তি প্রদর্শন এবং পকসোর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নাবালিকা ও ধৃতদের প্রত্যেকেরই শারীরিক পরীক্ষাও করানো হয়ে গিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় এখনও অস্পষ্ট, তা হল এই ঘটনা ধর্ষণ নাকি গণধর্ষণ। মূল অভিযুক্ত এক না একাধিক তা এখনও জানা যায়নি। ধৃত পাঁচ নাবালককে জেরা চালিয়ে যাচ্ছে তদন্তকারীরা। তবে মূল অভিযুক্তকে তা জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

কসবা-কাণ্ড

একই রকমের নৃশংস ঘটনার সাক্ষী খাস কলকাতার কসবা এলাকাও। নাবালিকাকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতকে আলিপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কসবা থানা।