Abhishek on SIR Hearing process: SIR: ওরা চায় মানুষ হতাশ হয়ে ফিরে যাক, 'খেলোয়াড়দের' পেপটক অভিষেকের, দিলেন 'কাজ'
শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআরের শুনানি পর্ব। আর দ্বিতীয় দিনেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীর সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের শাসক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআরের শুনানি পর্ব। আর দ্বিতীয় দিনেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীর সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের শাসক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠক থেকে তৃণমূলের বিএলএদের জোড়া নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) শুনানি পর্বের সময় তৃণমূলের বিএলএদের বাধ্যতামূলকভাবে হাজির থাকতে হবে। সেইসঙ্গে যেখানে শুনানি হচ্ছে, তার বাইরে সহায়তা শিবির খুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের কোনওরকম সমস্যা না হয়।

মানুষ যাতে হতাশ হয়ে যাক, চায় কমিশন, দাবি অভিষেকের
সূত্রের খবর, রবিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে অভিষেক অভিযোগ করেছেন যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর ব্যবস্থা না করেই একসঙ্গে প্রচুর মানুষকে শুনানি পর্বে ডেকে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এমন একটা পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে যে সাধারণ মানুষ শুনানি কেন্দ্রে এসে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে যান। আর অপেক্ষা না করেই ফিরে যান শুনানি কেন্দ্র থেকে। তার ফলে ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া যাবে বলে দাবি করেন অভিষেক।
বিএলএদের পেপটক দিলেন অভিষেক
সেইসঙ্গে বিএএলদের 'পেপটক' দিয়ে অভিষেক বলেন যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জিতিয়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার দায়িত্ব আছে তাঁদের কাঁধে। পশ্চিমবঙ্গের খসড়া তালিকা থেকে যে সবথেকে কম ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেটার পুরো কৃতিত্ব বিএলএদের। তাঁদের জন্য বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নিয়ে বিজেপি হইচই করতে পারছে না বলে পেপটক দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
পরপর ২ দিন এসআইআর নিয়ে সরব অভিষেক
উল্লেখ্য, শনিবারও এসআইআর নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে যদি ১.৩৬ কোটি ভোটারের নাম বাদ করে দেওয়া হয়, তাহলে কমিশনের সেই তালিকা প্রকাশ করা উচিত। তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। নাহলে বাংলার মানুষের কাছে কান ধরে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন অভিষেক। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিল্লিতে গিয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করবেন। ১.৩৬ কোটি ভোটারের ক্ষেত্রে যে অসংগতি আছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তাঁরা আসলে কারা? প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করার দাবি তোলা হবে। তারপরও তালিকা প্রকাশ না হলে কমিশনের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


