Abhishek Banerjee health: অভিষেক ফিরেছেন বাড়ি, হায়দরাবাদে কি নিয়ে যাওয়া হবে? কোন ইঙ্গিত মমতার
স্যালাইন, অক্সিজেন চলবে বাড়িতেই, ২ হাসপাতাল ঘুরে অভিষেক ফিরলেন বাড়ি।
সোনারপুরে শনিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে। সোনারপুরে আক্রান্ত তৃণমূল নেতার বাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল অভিষেকের। সেই সময়ই সোনারপুরের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁর জামা, অভিযোগ রয়েছে মারধর করারও। এরপরই শহরের এক তাবড় হাসপাতালে পৌঁছন অভিষেক। বাইপাসের ধারের সেই হাসপাতাল অভিষেককে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়। মমতা জানান সেখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না। পরে মিন্টো পার্কের কাছে আরও এক হাসপাতালে অভিষেককে প্রথমে আইটিইউতে ভর্তি করা হলেও ছেড়ে দেওয়া হয় পরে। এরপর বাড়ি ফেরেন অভিষেক।

শনিবার রাত বাড়তেই মিন্টো পার্কের ওই হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় অভিষেককে। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসা হবে। স্যালাইন, অক্সিজেন যা লাগবে বাড়িতেই দেওয়া হবে। প্রয়োজন পড়লে হায়দরাবাদে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হবে অভিষেকের। মমতা বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক চিকিৎসক আছেন। তিনি বাড়িতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। হাসপাতাল হুমকির মুখে আছে। ওরা চিকিৎসা করতে পারল না। স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।’ ক্ষোভের সুরে মমতা বলেন, ‘সিপিএম ৩৪ বছর ছিল, তারাও করেনি। আজকের ঘটনা ব্রুটালিটি।’ মমতা জানান, রাহুল গান্ধি তাঁকে ফোন করেছিলেন এবং প্রয়োজন হলে জানাতে বলেছেন। তাঁর কথায়, 'তাহলে হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করব।' প্রসঙ্গত, ইন্ডি ব্লকের কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব সহ একাধিক বিরোধী নেতারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার নিন্দা করেছেন।
উল্লেখ্য, সোনারপুর কাণ্ডের পর শহরের পর পর দুটি হাসপাতালে যান অভিষেক। যদিও রাত বাড়তেই তিনি বাড়ি ফিরে যান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,'থ্রেট করছে। এখানে (বেলভিউ হাসপাতাল) আনলাম আইটিইউতে নিয়ে গেল। টেস্ট দিল। আমি বসেছিলাম হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিক মিস্টার ট্যান্ডনের সঙ্গে। ফোন এল। ওপারে ডিসি সাউথ ছিলেন। তারপর ভর্তি করল না।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


