Durga Puja 2026: বাংলার পুজো এবার বিশ্বের দরবারে! ১০ হাজার প্রবীণকে নিয়ে 'প্রিভিউ ট্যুর' করবে আদানি গোষ্ঠী
Durga Puja 2026: আগামী বছরগুলিতে এই পুজোর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশাপ্রকাশ করা হয়েছে গোষ্ঠীর তরফে। শিল্প সুষমা, বাস্তবায়ন, আয়োজনের দক্ষতার মতো বিষয়গুলি সামনে রেখেই প্রিভিউ শোয়ের জন্য পুজোগুলিকে বেছে নেওয়া হবে।
Durga Puja 2026: পালাবদলের পরে বাংলার প্রথম দুর্গাপুজো (Durga Puja)। এবার কলকাতা এবং বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাঙালির আবেগ ও সংস্কৃতিকে পরিচয় করানোর উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই আবহে ‘দুর্গাপুজো প্রিভিউ ট্যুর’-এর পরিকল্পনা করেছে আদানি গোষ্ঠী। প্রবীণদের সঙ্গে নিয়ে এবার দুর্গাপুজোর আনন্দে শামিল হতে কলকাতায় আসছেন দেশ-বিদেশের অতিথিরা। তিনদিনে শহরের বাছাই করা আটটি পুজোয় অংশ নেবেন তাঁরা। পুজোর মহিমা, ঐতিহ্য, শিল্পকলা প্রত্যক্ষ করার পাশাপাশি তিলোত্তমার উষ্ণ আতিথ্য গ্রহণ করবেন দেশ-বিদেশ থেকে আসা বিশিষ্টরা। বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যেতে আদানি গোষ্ঠীর কাছ থেকে এমনই পরিকল্পনার প্রস্তাব পেয়েছে নবান্ন।

পুজোয় 'কর্পোরেট ট্যুর' হলেও সেখানে এতদিন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা ব্রাত্যই থাকতেন। এবার তাঁদের সামনে রেখেই 'প্রিভিউ ট্যুর' হবে বলে রাজ্যকে জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি এমন প্রবীণ নাগরিকদের ঠাকুর দেখানো হবে। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে নবান্নের সঙ্গে দফা দফায় বৈঠক করেছেন গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। মহালয়ায় ইডেন উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে এবারের দুর্গাপুজোর সূচনা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রেড রোডে রোড শোয়ের পর রয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান। বস্তুত, ওইদিন থেকেই অর্থাৎ ১০ অক্টোবর থেকেই শুরু ‘আদানি পুজো প্রিভিউ।’ চলবে ১১ এবং ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। সাধারণ দর্শনার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্যই প্রথমা ও দ্বিতীয়ার দিনই এই পরিক্রমার সূচি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সন্ধ্যা ছ’টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত আপাতত বেছে নেওয়া আটটি পুজোয় ঘুরবেন অতিথিরা।
আগামী বছরগুলিতে এই পুজোর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশাপ্রকাশ করা হয়েছে গোষ্ঠীর তরফে। শিল্প সুষমা, বাস্তবায়ন, আয়োজনের দক্ষতার মতো বিষয়গুলি সামনে রেখেই প্রিভিউ শোয়ের জন্য পুজোগুলিকে বেছে নেওয়া হবে। ‘আদানি ফাউন্ডেশন’ সরাসরি এই পুজোগুলিকে আর্থিক সহায়তাও দেবে বলে সূত্রের খবর। নবান্ন সূত্রে খবর, আদানি গোষ্ঠী রাজ্যকে তাঁদের প্রস্তাবে জানিয়েছে, সংস্থার লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড় সাংস্কৃতিক গর্ব দুর্গাপুজোয় বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কোটি কোটি দর্শনার্থী এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের কাছে তার সুফল পৌঁছে দেওয়া। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অতিথিদের মধ্যে থাকবেন সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সংবাদমাধ্যম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিক্ষাবিদ, পড়ুয়া, কর্পোরেটের শীর্ষকর্তা, পুজো আয়োজক-সহ প্রায় ৫০ জন বিশিষ্টজন। আদানি গোষ্ঠীর তরফে রাজ্যকে জানানো হয়েছে, তাদের দুর্গাপুজো পরিক্রমা আগামিদিনে সাংস্কৃতিক জগতের অন্যতম দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।
E-Paper

