Mamata on Turbulence: ঝড়ঝঞ্ঝার মাসে আকাশে বিমান চক্কর কেটেছে বহুক্ষণ! মমতা বললেন, 'পাইলট খুব..'
বিমানের পাইলটকে নিয়ে কী বললেন মমতা?
বৃহস্পতিবার হঠাৎই শহর কলকাতায় বিকেলের দিকে ঝেঁপে নামে বৃষ্টি। সঙ্গে দমকা হাওয়া ছিল দোসর। এদিকে, তখন পশ্চিম বর্ধমানে সফর সেরে কলকাতা ফিরছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ঝড় ঝঞ্ঝার জেরে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান আকাশে ১ ঘণ্টারও বেশি চক্কর কাটতে থাকে। স্বভাববতই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঘিরে তখন নানান জল্পনা তৈরি হয়। সেই রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১২ আসন বিশিষ্ট বিজনেস জেট-এ অন্ডাল থেকে কলকাতা ফিরছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের সফরের পর, তিনি অন্ডাল থেকে বিমানে চড়েন। বিকেল ৪টের মধ্যেই কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাঁর। তবে বিমান অবতরণেরর মুখে দমদমে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়। এদিকে, ওই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে কলকাতার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে নামতে অনুমতি দেয়নি। ফলে, ‘ফ্যালকন ২০০০’ বিমান আকাশে দীর্ঘক্ষণ থাকে। যে বিমানে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ঘটনার কথা উল্লেখ করে শুক্রবার প্রশংসা করেন তাঁর সেই বিমানের পাইলটের। মমতা জানান, পাইলট খুব ভালো ছিলেন। বিমানের পাইলটের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ফ্লাইটের পাইলট খুব ভালো ছিলেন। ট্রাই টু বেস্ট সেফ মাই লাইফ। এর থেকে বেশি আমি আর কিছু বলব না।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য সবরকম চেষ্টা করছিলেন উনি।’
এদিকে, এর আগে, দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার রাতে প্রকাশিত হবে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের আগে ক্ষোভের সুর চড়া করে তিনি বলেন, ‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, রামনবমীর দিন বলে গেলাম।’ মমতা আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল তালিকা বের করতে। আমরা এখনও প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা হাতে পাইনি। পাবলিক ডোমেনেও আসেনি। গণতন্ত্রের হত্যা। এর থেকে বেশি কিছু আর হতে পারে না। দুর্ভাগ্যজনক।’ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘বুকের পাটা থাকলে মানুষকে জানতে দিন কার নাম আছে, কার নাম নেই। জেলায় জেলায় ট্রাইবুনাল করুন। আমরা দরকারে আইনি সুবিধা দেব।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


