PM Awas Yojana: সুখবর! পুজোর পরই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৬০ হাজার টাকা, পাবেন ৩০ লক্ষ পরিবার

PM Awas Yojana: এ বছর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবাস যোজনার আবেদন নেওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়। যাতে প্রায় ৫৪.৫৯ লক্ষ গ্রামীণ আবাস উপভোক্তার নাম জমা পড়েছে।

Published on: Sep 22, 2026, 13:05:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

PM Awas Yojana: সুখবর! পুজোর পরেই পাকা বাড়ি বানানোর জন্যে রাজ্যজুড়ে গ্রামের ৩০ লক্ষ পরিবারকে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেবে বিজেপি সরকার। এ বছর প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনায় নাম নথিভুক্ত করেছেন রাজ্যের প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষ। তিন দফায় চলেছে যাচাই-বাছাই পর্ব। মূলত কোনও রকম স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির নাম-গন্ধ যাতে না থাকে সে ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে। কোনও অযোগ্য যাতে যোজনার টাকা না পান, তা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে বিডিওদের। পঞ্চায়েত দফতর সূত্রে খবর, স্বচ্ছতায় জেলায় জেলায় ঘুরে অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকও সেরেছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

পুজোর পরই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৬০ হাজার টাকা, পাবেন ৩০ লক্ষ পরিবার (Pexel/Representative image)
পুজোর পরই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৬০ হাজার টাকা, পাবেন ৩০ লক্ষ পরিবার (Pexel/Representative image)

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবাস যোজনার আবেদন নেওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়। যাতে প্রায় ৫৪.৫৯ লক্ষ গ্রামীণ আবাস উপভোক্তার নাম জমা পড়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪৪.৫ লক্ষ উপভোক্তার নাম নেওয়া হয়েছে আর অন্তত ১০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে অনলাইনে। এর মধ্যে ১০ শতাংশের নাম পুনরায় বাছাই হচ্ছে বিডিও অফিসে। এরপরেও বিডিও নিজে অন্তত ৫ শতাংশের নাম যাচাই করবে। আর জেলাওয়াড়িও ফের ২-৩ শতাংশ ক্ষেত্রে রিচেক হবে। কারণ ভুল নাম বের হলে দায় চাপতে পারে বিডিওর ঘাড়ে, সেই কারণেই নিখুঁতভাবে আবাস যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই চলছে। বিডিও অফিসের এক আধিকারিকের কথায়, এরকম নিখুঁতভাবে কাজ এর আগে কখনও হয়নি। তাই স্ক্রিনিং যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ভালই বোঝা যাচ্ছে। কোনওভাবেই যেন অযোগ্য বা ভুয়ো নাম তালিকাভুক্ত না থাকে, তার উপরেই জোর দেওয়া হচ্ছে।

রাজ্য প্রশাসনের খবর, চলতি অর্থবর্ষেই ৩০ লক্ষ উপভোক্তাকে বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া হবে। পুজোর পরে অর্থাৎ উৎসব শেষ হলেই আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। তারপর নির্দিষ্ট হিসাব দিলে ও কাজ কতটা এগোল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও সরাসরি অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে উপভোক্তাদের। পাকা বাড়ি বানাতে সরকারের তরফ থেকে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দিতে হবে। পাহাড়ি এলাকার জন্য অবশ্য এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্তও দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্তি না থাকলে সমস্যায় পড়তে পারেন আবেদনকারীরা। এছাড়াও তৈরি পাকা ঘরের ন্যূনতম আয়তন ২৫ বর্গমিটার হতে হবে, যেখানে রান্নার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত জায়গার ব্যবস্থাও থাকে। শৌচালয় নির্মাণে অবশ্য অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বর্তমানে জেলায় জেলায় জি-রাম-জি, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস বা শৌচালয়-সহ এই সব কাজের জন্য বৈঠক করছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। সার্ভে করার জন্য রাজ্য একটি ইমেল অ্যাড্রেসও দিয়ে রেখেছে।