অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের ধরবে নিমেষেই, IIT-র সঙ্গে ‘অস্ত্র’ বানানো হচ্ছে, বড় দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করবে - বিশেষ ‘অস্ত্র’ বানানো হচ্ছে বলে দাবি করল রাজ্য সরকার। আইআইটির সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সেই ‘অস্ত্র’ তৈরি করা হচ্ছে। যা আর চার মাসের মধ্যে একেবারে নিখুঁতভাবে কাজ করবে।
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করবে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই)। সেরকমই একটি 'টুল' তৈরি করা হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিজেপি-শাসিত রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, আইআইটি বম্বের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সেই এআই টুল তৈরি করা হচ্ছে। যেটির সাফল্যের হাত ৬০ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলেছে। চার মাসের মধ্যেই একেবারে নিখুঁতভাবে কাজ করবে সেই প্রযুক্তি। অর্থাৎ সাফল্যের হার ১০০ শতাংশ। অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে কারা কারা মহারাষ্ট্রে এসেছেন বা কারা রোহিঙ্গা, তা একেবারে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে ফেলা যাবে বলে দাবি করেছেন ফড়ণবীস।

প্রচুর অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, দাবি ফড়ণবীসের
আর ফড়ণবীস সেই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে একটি প্রশ্নের প্রেক্ষিতে। সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে যে মুম্বইয়ে একজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী থাকছেন। যিনি বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকে ভুয়ো নথি বানিয়ে সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও ভোগ করছেন। সেটার প্রেক্ষিতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুম্বই থেকে প্রচুর সংখ্যক অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভুয়ো নথি বানায়, দাবি ফড়ণবীসের
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তাঁরা জানেন। ওই অনুপ্রবেশকারীরা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে আসেন। ভুয়ো নথি তৈরি করেন। তারপর ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েন। সেইসব নথি ব্যবহার সেখানকার সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করেন বলে দাবি করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। যিনি আপাতত বৃহন্মুম্বই পুরনিগম নির্বাচন জয়ের উপরে ফোকাস করছেন। রবিবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটের ইস্তাহারও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতেও অনুপ্রবেশের বিষয়টির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।
ভোটের ইস্যু - অনুপ্রবেশ
এমনিতে এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অনুপ্রবেশ। সেই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। গত মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই সেই সুরটা বেঁধে দিয়ে গিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের যে ঘটনা ঘটছে, তা নেহাতই রাজ্যের বিষয় নয়। পুরো বিষয়টির সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। তাই পশ্চিমবঙ্গে এমন মজবুত সরকারের প্রয়োজন আছে, যে সরকার সীমান্ত দিয়ে চিরকালের মতো অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবে। আর সেই কাজটা বাস্তবায়নের জন্য একটি রাষ্ট্রীয় গ্রিড তৈরি করা হবে। তার ফলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ কেন, একটি পাখিও পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে পারবে না বলে আশ্বস্ত করেন শাহ।
সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য মমতা সরকার জমি দেয় না কেন্দ্রকে। আর পুরো ভারতে একমাত্র একটি সরকারই এরকম কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গে যে অনুপ্রবেশ ঘটছে, তাতে প্রশ্রয় দিচ্ছেন মমতাই। সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


