AIMIM on WB Madrassa Survey: ‘মাদ্রাসায় সমীক্ষা হলে মন্দিরেও হোক’, বঙ্গে মাদ্রাসা সমীক্ষা নিয়ে আপত্তি ওয়াইসির দলের

এআইএমআইএম নেতার দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঘিরে সন্দেহ ও বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার রাজনীতি করছে এবং মাদ্রাসা সমীক্ষার মতো পদক্ষেপ সেই রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ।

Published on: Jun 9, 2026, 14:10:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসাগুলির সমীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সরব হয়েছেন ওয়ারিস পাঠান। তাঁর অভিযোগ, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে এবং মাদ্রাসাগুলিকে অযথা নিশানা করা হচ্ছে। ওয়ারিস পাঠান বলেন, সংবিধান সকল নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। সেই কারণে যদি মাদ্রাসাগুলির উপর সমীক্ষা চালানো হয়, তাহলে একই যুক্তিতে মন্দিরগুলিরও সমীক্ষা হওয়া উচিত। তাঁর প্রশ্ন, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন বেছে নেওয়া হচ্ছে?

এআইএমআইএম নেতার দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঘিরে সন্দেহ ও বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে।
এআইএমআইএম নেতার দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঘিরে সন্দেহ ও বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

এআইএমআইএম নেতার দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঘিরে সন্দেহ ও বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার রাজনীতি করছে এবং মাদ্রাসা সমীক্ষার মতো পদক্ষেপ সেই রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ। পাঠান আরও বলেন, কোনও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ বা পর্যালোচনার প্রয়োজন হলে তা সব ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। শুধুমাত্র মাদ্রাসাগুলিকে কেন্দ্র করে পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা বৈষম্যমূলক বলে মনে হতে পারে।

অন্যদিকে, সমীক্ষার সমর্থকদের দাবি, শিক্ষার মান, পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার জন্য এই ধরনের সমীক্ষা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, এটি কোনও ধর্মীয় বিষয় নয়, বরং প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত মূল্যায়নের অংশ। মাদ্রাসা সমীক্ষাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। একদিকে এআইএমআইএম-সহ বিরোধী মহলের আপত্তি, অন্যদিকে সমীক্ষার পক্ষে সরকারের যুক্তি- এই দুইয়ের সংঘাতে বিষয়টি আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে পারে।

এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর উপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন এআইএমআইএম নেতা। ওয়ারিস পাঠান এই ঘটনাকে নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিক বা আদর্শগত মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপর হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ওয়ারিস পাঠান বলেন, 'আমাদের কারও সঙ্গে রাজনৈতিক বা আদর্শগত মতভেদ থাকতে পারে। কিন্তু এটা আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনের বিষয়। একজন বর্তমান সাংসদের উপর এভাবে হামলা করে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? দুই জন বর্তমান সাংসদের উপর হামলা হয়েছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়।' তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রে আইনের শাসনই শেষ কথা হওয়া উচিত। ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করার সংস্কৃতি কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। তাঁর মতে, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More