Conveyor Belt for Durga Idols Immersion: এয়ারপোর্টের প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জনের ভাবনা! ক্রেন টেনে তুলবে না কাঠামো
Durga Idols Immersion: এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দরে যে প্রযুক্তি একেবারে স্বাভাবিক, সেটাই ব্যবহার করে দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জন করা হতে পারে। সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এবার ক্রেন ব্যবহার করা হবে না। ক্রেন দিয়ে দেবী প্রতিমার কাঠামো টেনে তোলা হবে না।
Conveyor Belt for Durga Idols Immersion: এয়ারপোর্টের প্রযুক্তি ব্যবহার করে কলকাতার ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজ করা হবে? কলকাতা পুরনিগমের তরফে সেরকমই ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় ক্রেন পরিবর্তে বিমানবন্দরের মতো কনভেয়ার বেল্ট ব্যবহার করা হতে পারে। তাছাড়া ট্রলি ব্যবহারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ক্রেন ব্যবহার করা হবে না, স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
আর সেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার প্রেক্ষিতে। পুজো সংক্রান্ত সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘কতগুলি বিষয় আপনাদের মধ্যে থেকে উঠে এসেছে। সেগুলি আমরা পেয়েছি। বিসর্জন ঘাটে ক্রেন ব্যবহার - মা দুর্গার মূর্তির পবিত্রতা রক্ষা করার ক্ষেত্রে, ক্রেন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিগত দিনে যেভাবে করা হয়েছে, আমরা তার বাইরে যাব। মা দুর্গার প্রতি আমাদের যে আস্থা, যে ঐতিহ্য, সেটা যাতে কোনওভাবে আঘাতপ্রাপ্ত না হয়, সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে থাকবে।’
ক্রেন দিয়ে নদী থেকে প্রতিমার কাঠামো তোলার চল ছিল
আসলে এতদিন বিভিন্ন ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হত। তারপর কিছুক্ষণ জলে প্রতিমার কাঠামো রেখে ক্রেন ব্যবহার রেখে তুলে নেওয়ার চল ছিল। কিন্তু সেইসময় যে কাঠামো ঝুলে থাকত ক্রেন থেকে, তা নিয়ে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করতেন। সেই আবহে বিজেপি সরকারের আমলে প্রথম দুর্গাপুজোয় ক্রেন ব্যবহারের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
কীভাবে কনভেয়ার বেল্ট কাজ করবে?
সেই পরিস্থিতিতে কনভেয়ার বেল্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘাটে থাকা কনভেয়ার বেল্টে দুর্গা প্রতিমা রাখা হবে। সেটিই প্রতিমাকে বয়ে নিয়ে যাবে গঙ্গা বা নদীতে। যেহেতু কনভেয়ার বেল্ট ক্রমাগত ঘুরতে থাকে, তাই নিরঞ্জনের পরে প্রতিমার কাঠামো নিয়ে ফের ঘাটে চলে আসবে। সেক্ষেত্রে ক্রেন ব্যবহারের কোনও দরকার হবে না। তাছাড়া ট্রলি ব্যবহারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের সচিব ইতিমধ্যে সেই মর্মে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনার, অন্যান্য পুরসভার প্রধান এবং জেলাশাসককে চিঠি লিখে প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে কনভেয়ার বেল্ট ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। পুরো রাজ্যেই সেভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন করার তোড়জোড় বলে সূত্রের খবর।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


